আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রথমে ব্যাট করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে রানের লক্ষ্য দিল কেকেআর। উইকেট না পেলেও দুর্দান্ত বল করলেন ইডেনের ঘরের ছেলে মহম্মদ সামি।
শেষের দিকে রভম্যান পাওয়েল এবং ক্যামেরন গ্রিন ব্যাটিংয়ে ভর করেই ১৮০ পেরোল কলকাতা। পাওয়েল জানালেন, এদিনের পিচ চেনা ইডেনের উইকেট নয়, বল গ্রিপ করায় ব্যাট করা বেশ কঠিন।
১০ ওভার পর্যন্ত ভাল জায়গায় থাকলেও তারপরের দিকে পরপর উইকেটই কিছুটা ব্যাকফুটে ফেলে দেয় কলকাতাকে। শেষের দিকে গ্রিন এবং পাওয়েলের ঝোড়ো ইনিংস ম্যাচে রাখল কলকাতাকে।
প্রথম ওভারে সামিকে সাবধানে খেললেও দ্বিতীয় ওভারেই ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়ে কেকেআরকে ধাক্কা দেন প্রিন্স যাদব। বিশ্বকাপের ফর্ম এখনও দেখা গেল কিউই ব্যাটারের মধ্যে।
এদিনও বড় রান তুলতে পারলেন না তিনি। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনে কলকাতা। তিন নম্বরে গ্রিনের জায়গায় তুলে আনা হয় ফর্মে থাকা রঘুবংশীকে। গ্রিন গত কয়েক ম্যাচে ফর্মে নেই।
সম্ভবত নতুন বলের সম্মুখীন হওয়া থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেকেআর ম্যানেজমেন্ট। তার ফলও মিলল হাতেনাতে। শুরুতে উইকেট গেলেও রাহানে এবং রঘুবংশী ম্যাচের হাল ধরলেন।
পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে কলকাতা তুলল ১৬ রান। মিডল ওভারে পরিকল্পনা নিয়েই খেলছিল কলকাতা। রঘুবংশী একদিকে মারছিলেন অন্যদিকে অ্যাঙ্করের ভূমিকা নিয়েছিলেন রাহানে।
কিন্তু পরপর সেট ব্যাটারের দুটি উইকেট ফের বড় রান তোলা থেকে ছিটকে দেয় কলকাতাকে। দিগ্বেশ রাঠির বলে ৪১ রান করে ফেরেন রাহানে। যদিও তাঁর আউটে সামির ক্যাচ নিয়ে সংশয় ছিল।
থার্ড আম্পায়ার অনেকক্ষণ খতিয়ে দেখে আউট দেন। তার কিছুক্ষণ পরেই সিদ্ধার্থের বলে ফেরেন রঘুবংশী। ৩৩ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। পাঁচ রানের জন্য পরপর তিন ম্যাচে তিন অর্ধশতরানের রেকর্ড অল্পের জন্য ছিটকে যায়।
চার নম্বরে গ্রিন এবং পাঁচ নম্বরে নামানো হয় রিঙ্কুকে। কিন্তু কেকেআরের সহ অধিনায়ক এখনও আইপিএলে খুব একটা চলেননি। এদিন আবেশ খানের বল বুঝতেই পারলেন না।
ব্যাকফুটে কাট মারতে গিয়ে বোল্ড হলেন তিনি। রভম্যান পাওয়েল নামার পর প্রথম বাউন্ডারি এল ৩১ বল পর। ১৫ ওভারের পর থেকে আস্তে আস্তে গিয়ার বদলাতে শুরু করে কেকেআর।
কলকাতা সমর্থকদের জন্য খুশির খবর, এদিন ধীরে সুস্থে শুরু করলেও রানের মধ্যে ফিরলেন গ্রিন(৩২*)। সেই ধ্বংসাত্মক মনোভাব দেখা না গেলেও আত্মবিশ্বাস ধরা পড়ল তাঁর চোখেমুখে। রভম্যান পাওয়েলও (৩৯*) শক্তির প্রদর্শন দেখালেন ঘরের মাঠে।















