আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই বিতর্ক। হেনরিখ ক্লাসেন বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ঠিক সামনে আরসিবি তারকা  ফিল সল্টের হাতে ক্যাচ দেন। 

কিন্তু রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে,  ক্যাচ নেওয়ার সময়ে সল্টের শরীর বাউন্ডারি লাইন ছুঁয়েছিল। তবুও আম্পায়াররা ক্লাসেনকে আউট ঘোষণা করেন। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্লাসেন। চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁকে অসন্তুষ্ট দেখায়। ক্ষুব্ধ-অসন্তুষ্ট ক্লাসেন মাঠ ছাড়েন। 

সানরাইজার্সের ইনিংসের ১৪-তম ওভারের ঘটনা। শুরুতে তিনটি উইকেট হারিয়ে  চাপে পড়ে গিয়েছিল সানরাইজার্স। তার পরে ঈশান কিশান ও হেনরিখ ক্লাসেন ৯৭ রানের জুটি গড়েন। চাপ সামলে নেয় সানরাইজার্স। কিন্তু রোমারিও শেফার্ডকে মারতে গিয়ে আউট হন ক্লাসেন। 

বড় শট মারতে দক্ষ ক্লাসেন। শেফার্ডকে গ্যালারিতে ফেলতে গেলেও সময়ের গন্ডগোলে  বলটি প্রয়োজনীয় দূরত্ব অতিক্রম করেনি। বাউন্ডারির একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট অসাধারণ দক্ষতায় ক্যাচটি ধরেন। এরপর ফিল্ড আম্পায়াররা সিদ্ধান্তটি থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান।  ক্যাচ ধরার সময়ে সল্টের শরীর বাউন্ডারি লাইন ছুঁয়েছিল কি না তা যাচাই করার জন্য পাঠানো হয়েছিল। 

রিপ্লেতে পরিষ্কার করে বোঝা না গেলেও একটি অ্যাঙ্গেলে দেখা যায় ক্যাচ নেওয়ার সময়ে বাউন্ডারি লাইনের দড়ি নড়ে উঠেছিল। তবুও থার্ড আম্পায়ার রোহন পণ্ডিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে আউট দেন। আম্পায়ারের এহেন সিদ্ধান্ত ক্লাসেন ও সানরাইজার্স সমর্থকদের বিস্মিত করে দেয়। ক্লাসেন বাউন্ডারি লাইনের ধারে আম্পায়ারকে প্রশ্ন করেন।  কিন্তু সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়নি।  শেষ পর্যন্ত অসন্তোষ নিয়েই মাঠ ছাড়েন ক্লাসেন। 

ম্যাচের শেষে অনেকেই বলেছেন, আম্পায়ারের ভুলি সিদ্ধান্তে আউট হয়েছেন ক্লাসেন। সেই সময়ে ক্লাসেন উইকেটে থাকলে সানরাইজার্স আরও রান তুলতে পারত।