আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজস্থান রয়্যালসের তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে ঘিরে বড়সড় চোটের আশঙ্কা দেখা দিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকান বৈভব। তার পর সেই তারকাই অস্বস্তির মুখে পড়েন। 

ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফিল্ডিং করার সময় আচমকাই ডান ঊরুতে ব্যথা অনুভব করেন বৈভব। ব্যথায়-যন্ত্রণায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে দলের সাপোর্ট স্টাফ মাঠে ঢুকে তাঁর শুশ্রুষা করেন। সাপোর্ট স্টাফের কাঁধে ভর দিয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে যেতে হয় বৈভবকে। 

মাঠ ছাড়ার সময় বৈভবকে বেশ যন্ত্রণাকাতর দেখাচ্ছিল। খোঁড়াচ্ছিলেন তিনি। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, হয়তো হ্যামস্ট্রিংয়ে টান পড়েছে।  তবে তীব্র গরমে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করার ফলে তিনি মারাত্মক ক্র্যাম্পে ভুগতে পারেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এদিন জয়পুরের গরমে বৈভব প্রায় ১৪ ওভার ব্যাটিং করেন। মোট ৩৭ বল মোকাবিলা করে তিনি তাঁর  দ্বিতীয় আইপিএল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। 

২০২৫ সালে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। চলতি আইপিএলে ৩৬ বলে শতরান করলেন। ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করলেন তিনি। 

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলারদের বিরুদ্ধে মারমুখী সেঞ্চুরি করলেন। ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করেন তিনি। তার পরে হেলমেট খুলে, শূন্যে হৃদয় দেখানোর পরে স্যালুট করলেন। অভিনব উদযাপন বৈভবের। ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন, অন্য কেউ হলে লাফিয়ে উঠতেন। বৈভব শান্ত। 

সেঞ্চুরির আগের বলটা বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে আশা করছিলেন ছক্কা হবে। ছক্কা না  হওয়ায় নিজেই হতাশ হয়ে পড়েন। সেঞ্চুরি করার পরে অবশ্য বেশিদূর এগোতে পারেননি বৈভব। পরের বলেই এলবি হন সূর্যবংশী। 

তাঁর ১০৩ রানের ইনিংসে সাজানো ছিল ৫টি চার ও ১২টি ছক্কা। তার মধ্যে প্যাট  কামিন্সের মতো বোলারকে প্রথম বলেই ছক্কা মারেন। এর আগে জশপ্রীত বুমরাহকে প্রথম বলে ওভার বাউন্ডারি মেরেছিলেন। এবার কামিন্সকে। তাছাড়া প্রফুল্ল হিঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে সূর্যবংশীকে ফিরিয়েছিলেন। এদিন হিঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিলেন সূর্যবংশী। তাঁর জন্যই যশস্বী জয়সওয়ালের উইকেট শুরুতে হারালেও রাজস্থানের রানের গতি কমেনি। 

সেই সূর্যবংশীই আবার মাঠ ছাড়েন চোট পেয়ে।