আজকাল ওয়েবডেস্ক: সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ২১৯ রান করার পরে অতি বড় পাঞ্জাব ভক্ত কি ভেবেছিলেন ম্যাচটা শেষমেশ জিতে নেবে শ্রেয়স আইয়ারের দল? 

১৮.৫ ওভারে পাঞ্জাব ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে নয়। প্রিয়াংশ আরা (৫৭), প্রভসিমরন সিংয়ের (৫১) পরে ৩৩ বলে ৬৯ রান করে শ্রেয়স আইয়ার জয় ছিনিয়ে আনেন। 

নির্বাচকদের দেখিয়ে দিচ্ছেন আইয়ার তিনি সাফল্যের সঙ্গে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করতে পারেন। আবার হাতের বাইরে চলে যাওয়া ম্যাচও জেতাতে পারেন। এর পরেও কি তাঁকে দেখা যাবে না জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে? 

সানরাইজার্সের রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই ৯৩ রান তুলে নেয় পাঞ্জাব। ম্যাচের রাশ শুরুতেই নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা।

প্রিয়াংশ আর্য ২০ বলে ৫৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। প্রভসিমরন সিং ২৫ বলে ৫১ রান করেন। দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শ্রেয়স। ৫টি চার ও ৫টি ছক্কার ঝলকানি, যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

শেষদিকে শশাঙ্ক সিংকে সঙ্গে নিয়ে শ্রেয়স ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। এর আগে নতুন কীর্তি গড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। পাওয়ার প্লেতে পেরোয় ১০০ রানের গণ্ডি। শনিবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লেতে রানের বন্যা বইয়ে দেন ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা। মুল্লানপুরে হেড এবং অভিশেকের ব্যাটে ঝড় বয়ে যায়। প্রথম থেকেই তাঁদের মনোভাব স্পষ্ট হয়ে যায়। একমাত্র লক্ষ্য ছিল আক্রমণ করা। ২ ওভারের শেষে বিনা উইকেটে ২০ রান ছিল সানরাইজার্সের। তারপরই ফোর্থ গিয়ারে চলে যায়। শুরুটা করে অভিষেক। অর্শদীপকে দুটো চার এবং ছয় মারেন। মোমেন্টাম হায়দরাবাদের দিকে ঘুরে যায়। এরপর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে সান রাইজার্সের দুই ওপেনার। ৩.৪ ওভারে ৫০ রানে পৌঁছে যায়। ওভার প্রতি ১৩ রান নেয়। 

সানরাইজার্স রানের পাহাড় গ়ড়লেও শেষ হাসি হাসল পাঞ্জাবই। এক রুদ্ধশ্বাস রান-তাড়ায় তারা বুঝিয়ে দিল, বড় লক্ষ্যও তাদের কাছে কঠিন কোনও ব্যাপার নয়।