আজকাল ওয়েবডেস্ক: আফগানিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার নূর আহমেদের নেতৃত্বে শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিং পারফরম্যান্সের জোরে সিএসকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুম্বইকে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে আটকে রাখে।
নূর চার ওভারে ২৬ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। অংশুল কম্বোজ নেন ৩/৩২। 

মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নমন ধীর। তবে দলের সামগ্রিক ব্যাটিং ছিল নিষ্প্রভ। অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া ২৩ বল খেলে মাত্র ১৮ রান করেন। দলের ধুঁকতে থাকা অবস্থারই প্রতিফলন ঘটান।
কম রানের সংগ্রহ গড়েও মুম্বই এক বড় রেকর্ড গড়ে। এটি ছিল তাদের ২৮৬-তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, যেখানে তারা প্রথম দল হিসেবে ৫০,০০০ রানের গণ্ডি পার করে।
এই তালিকায় তাদের পরে রয়েছে ইংল্যান্ডের কাউন্টি দল সমরসেট (৩০৩ ম্যাচে ৪৮,২৪৪ রান) এবং আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু  (২৯৫ ম্যাচে ৪৭,৩০৪ রান)।
ম্যাচের শুরুতেই চেন্নাইয়ের পেসার মুকেশ চৌধুরী দুর্দান্ত বোলিং করে প্রথম ওভারে মাত্র এক রান দেন। এরপর দ্বিতীয় ওভারে কম্বোজের বলে আইপিএল অভিষেক করা রামকৃষ্ণ দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে উইল জ্যাকসকে ফেরান।
প্রথমদিকে ধীরগতিতে শুরু হলেও পরে রায়ান রিকেলটন ও নমন ধীর বড় শট খেলেন। রিকেলটন এক ওভারে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলের রান তোলায় গতি আনেন।  পাওয়ারপ্লে শেষে মুম্বইয়ের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৫৭।
তবে এরপর ম্যাচের মোড় ঘোরে। নূর আহমেদের বলে রিকেলটন আউট হন। পরে সূর্যকুমার যাদব  (১২ বলে ২১) ভাল শুরু করলেও তা বড় ইনিংসে পরিণত করতে পারেননি।
মাঝের ওভারে নিয়মিত ডট বল এবং উইকেট হারাতে থাকে মুম্বই। তিলক ভার্মাও আউট হন, এবং শেষের দিকে বড় শটের অভাবে রান তোলার গতি কমে যায়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় এই ম্যাচটি দুই দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে তারা আগেই একাধিক হতাশাজনক ফলাফল করেছে।