আজকাল ওয়েবডেস্ক: অঘটন আজও ঘটে। বিশ্বকাপে জার্মানিকে মাটি ধরাল ইকুয়েডর। খেলার শেষ বাঁশির পরে স্কোরলাইন ইকুয়েডর ২ জার্মানি ১। কেউ কি ভেবেছিল জার্মানির মতো দলকে হারিয়ে দেবে ইকুয়েডর।
জার্মানি থেমে গেল গ্রুপের শেষ ম্যাচে। নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন ঘটাল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। আগের দুই ম্যাচে গোলের দেখা না পেলেও, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার তুলে ধরে ইকুয়েডর। দু' গোল করে তারা শুধু ম্যাচই জেতেনি, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও জায়গা করে নিয়েছে দাপটের সঙ্গে।
ম্যাচের শুরুটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। ইকুয়েডর নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই জার্মানি এগিয়ে যায়। খেলার বয়স তখন মাত্র ২ মিনিট। বক্সের ভিতর থেকে দারুণ বাঁকানো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিরয় সানে। তবে তার আগে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়কে ফাউল করেছিলেন সানের সতীর্থ। রেফারির নজর তা এড়িয়ে যায়।
মহিলা রেফারি এদিন ম্যাচ পরিচালনা করেন। কিন্তু তিনি ভুল করে ফেলছিলেন। সিদ্ধান্ত ভুল নিচ্ছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানিকে পেনাল্টি দিয়েই দিয়েছিলেন রেফারি। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় মাঝমাঠের কাছে আগে জার্মানি ফাউল করেছিল।
এদিকে শুরুতেই পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ইকুয়েডর। ৯ মিনিটে দুর্দান্ত শটে জার্মান গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করেন ফরোয়ার্ড নিলসন আনহুলো। তাঁর গোলে সমতায় ফেরে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
এটি ছিল এবারের বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের প্রথম গোল। গ্যালারিতে সমর্থকরা তখন উল্লসিত। এরপর দুই দলের মধ্যে তুল্যমূল্য লড়াই চলে। ৭৭ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল পায়ে ছুঁইয়ে জার্মানির জালে বল জড়ান গঞ্জালো প্লাতা। প্লাতার গোলে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইকুয়েডর।
জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করে দেয় ইকুয়েডর। জার্মানি ফিরে আসার জন্য বিখ্যাত। শেষ হওয়ার আগে শেষ বলতে রাজি নয় তারা। সেই জার্মানিও আর গোল শোধ করতে পারেনি। নিজেদের বক্সে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়িয়ে জার্মানিকে আর বিপজ্জনক হতে দেয়নি ইকুয়েডর। রাউন্ড অফ ৩২-র পাসপোর্ট পেয়ে গেল তারা। ই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে নক আউটে গেল জার্মানিও।















