আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনদিন হল দুবাইয়ে পৌঁছেছে ভারতীয় দল। তারমধ্যে বেশিরভাগ সময় আইসিসি অ্যাকাডেমিতে কাটাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। টিম ইন্ডিয়ার প্রথম দুটো ম্যাচের মধ্যে খুব কম দিনের বিরতি রয়েছে। বাংলাদেশ ম্যাচের দু'দিনের মধ্যেই খেলতে হবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তাই দুবাইয়ে পা রেখেই নিজেদের অনুশীলনে ডুবিয়ে দেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। লম্বা স্পেলে বল করে বোলাররা। নেটে দীর্ঘ সময় কাটায় ব্যাটাররা। প্রত্যেককে ড্রিলে অংশ নিতে বাধ্য করেন ফিল্ডিং কোচ। প্রত্যেকের জন্য রিকভারি প্ল্যান তৈরি রাখেন ফিজিও এবং স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ।
১৬ এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি জোরকদমে অনুশীলন করে টিম ইন্ডিয়া। নেট সেশন দেখে প্রথম ম্যাচে প্রথম একাদশের একটা আন্দাজ পাওয়া যায়। নেটে প্রচুর সময় কাটান শুভমন গিল। রোহিত আবার টাচে ফেরার চেষ্টা করছেন। বিরাট কোহলির সেশনও ভাল যায়। তবে ট্রেনিংয়ের হাইলাইট ছিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং শ্রেয়স আইয়ার। স্পিনের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ছিলেন তাঁরা। একাধিক বল ট্রেনিং গ্রাউন্ডের বাইরে পাঠান দু'জন। দুই সেশনেই লম্বা স্পেলে বল করেন মহম্মদ সামি। নেটে অর্শদীপ সিংয়ের সঙ্গে বোলিং ওপেন করেন তারকা পেসার। তাঁদের যোগ দেন হর্ষিত রানা। একটি নেটে বল করে স্পিনাররা। বেধড়ক মার খায়। দারুণ ছন্দে ছিলেন শ্রেয়স এবং হার্দিক। তবে টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুম বেশ হাসিখুশি। মজাদার ড্রিলেও অংশ নেয় প্লেয়াররা। তাতে সামিল হন গম্ভীরও। তিনটে নেটের মধ্যেই ঘোরাফেরা করেন ভারতের হেড কোচ। মঙ্গলবার পর্যন্ত কঠোর অনুশীলনে চলবে। বুধবার দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস করতে পারে ভারতীয় দল। পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পেতে পারেন রোহিতরা।
















