আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার। শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা–১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া–৬ আসনের সংসদ সদস্য পদে ইস্তফা দিয়েছেন। এই সংক্রান্ত চিঠি তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে। এমনটাই জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ।


প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। তারেকের দল ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। সহযোগী দলগুলি–সহ বিএনপি জোটের আসন ২১২। তারেক নিজে দু’টি আসনে দাঁড়িয়ে দু’টিতেই জয়ী হয়েছিলেন। নিয়ম মেনে একটি আসন হাতে রাখলেন তিনি। এর ফলে বগুড়া–৬ আসনে উপনির্বাচন করতে হবে কমিশনকে।


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে আড়াই দশক পরে আবার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন কোনও বিএনপি নেতা। এর আগে ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন তারেকের মা খালেদা জিয়া। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের আয়োজন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় ১২০০ দেশি–বিদেশি অতিথি যোগ দিতে পারেন। ভারতের তরফে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন স্পিকার ওম বিড়লা। নতুন মন্ত্রিসভার থাকতে পারেন ৩৫ থেকে ৩৭ জন।  এর মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে ৯ থেকে ১০ জনকে।


এটা ঘটনা, নতুন সরকারের মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ঢাকায় ৩৬টি বাংলোবাড়ি–অ্যাপার্টমেন্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি বাংলোবাড়ি ও ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট। ওই বাংলোবাড়ি–অ্যাপার্টমেন্টগুলির অবস্থান রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে। এলাকাগুলি ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। বাংলোবাড়ি–অ্যাপার্টমেন্টগুলোর কিছু ইতিমধ্যে খালি হয়েছে। অন্যগুলিতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, অবসরে যাওয়া বিচারপতি ও সরকারের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা বসবাস করতেন। তাঁদের কাছে ইতিমধ্যে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ পৌঁছে গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে তারেক কোথায় থাকবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এদিকে, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে রয়েছেন তারেক। বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, আপাতত আরও কিছুদিন তিনি সেখানেই থাকবেন। এর পরে তারেকের বাসস্থান হবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা।