আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডিসেম্বরে কমছে তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণও বেশ কম। এই ঠান্ডার আমেজেই প্রকট হয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা। সঙ্গে যুক্ত হয় সর্দি-কাশি-জ্বর। সম্প্রতি এইচএমপিভি ভাইরাস নিয়ে বেড়েছে আতঙ্ক। হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)-এর ক্ষেত্রেও ফুসফুসে সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। তাই শীতকালে সুস্থ থাকতে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষ করে যাঁদের অ্যালার্জি কিংবা হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
শীতকালে ফুসফুসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। কারণ শীতে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। বায়ুদূষণে বাড়ে ধূলিকণার পরিমাণ। বাতাসে ভাসমান বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়ার এবং ধূলিকণার আক্রমণে সবচেয়ে প্রথমে আক্রান্ত হয় ফুসফুস। কারণ, নাক দিয়ে অক্সিজেন নেওয়ার সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে সব কিছু সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছয়। তারপরই তা মিশে যায় রক্তের সঙ্গে। সেখান থেকেই নিউমোনিয়া থেকে সাধারণ সর্দি, অ্যাজমা, সিওপিডি-র মতো শ্বাসকষ্টের রোগের প্রকোপ দেখা যায়। তাই ঠান্ডার মরশুমে ফুসফুসকে সুস্থ থাকতে কী কী নিয়ম মেনে চলবেন?
শীতকালে বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে বাইরে বেরলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
পরিছন্ন রাখুন নিজের চারপাশ। যে কোনও সংক্রমণ এড়াতে ঘরের ভিতর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। ঘরের ধুলোও শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শীতকালে ধূমপানের অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে শীতে ধূমপানে ফুসফুসের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাছাড়াও একে বায়ুদূষণের বাড়বাড়ন্ত, তার উপর ধূমপানের প্রভাব পড়ে প্যাসিভ স্মোকারদের উপরও।
ফুসফুসের কার্যকারিতা ভাল রাখতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসের বিশেষ কিছু ব্যায়াম অভ্যাস করুন। তবে খেয়াল রাখবেন, যে ব্যায়ামই করুন না কেন, তা যেন পরিমিত হয়। অতিরিক্ত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে অনেকের ক্ষেত্রেই আবার হাঁপানির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শীতে ভিটামিন সি, মরশুমি ফল-সবজি সহ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। শীতের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে লেবু, আমলকি, ব্রকোলি, পালং শাকের মতো সবজি নিয়মিত পাতে রাখুন।
শীতকালে নিয়মিত আদা, গোলমরিচ, কাঁচা হলুদ, তুলসী পাতা, দারচিনিও খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই ধরনের খাবারও সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।
















