আজকাল ওয়েবডেস্ক: সিনেমা হল থেকে শুরু করে পত্রপত্রিকা, এমনকি সিগারেটের প্যাকেটেও বেশ বড় বড় অক্ষরে লেখা তামাক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, তামাক ক্যান্সারের কারণ। শুধু কি তাই? ডাক্তারের কাছে গেলেও সেই এক পরামর্শ - এবার ছাড়ুন। বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। তবু সুখটান না হলে যেন মেজাজ আসে না। অনেকেই আবার মাঝেমধ্যে সিরিয়াস হয়ে একটা দুটো করে কমানোর চেষ্টা করেন। নিকোটেক্স, নিকোটিন প্যাচ কিংবা ই-সিগারেটের সাহায্য নেন। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য সংস্থা একটি সমীক্ষা প্রকাশ্যে এনেছে যে, ই-সিগারেটের ব্যবহার কতটা ক্ষতিকর।
প্রথমত এই ধারণাটাই কিছুটা ভুল যে ই-সিগারেট ধূমপানের নেশা ছাড়তে সাহায্য করে। যদিও এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ নেই তবু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ই-সিগারেটের অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।
এই ই-সিগারেট নতুন প্রজন্মের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। ফলে খুব ছোট থেকেই তারা নিকোটিনে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সিগারেটে একটি বিশেষ ধরনের টক্সিক পদার্থ থাকে, যার কারণে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। হার্ট এবং ফুসফুসের সমস্যা তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদিও সংস্থাগুলি দাবি করে এই সিগারেট তুলনামূলক ভাবে কম ক্ষতিকর। কিন্তু সে দাবি প্রমাণিত নয়। চিকিৎসকের মতে এর বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। সেগুলো কী?
চিরাচরিত সিগারেটের মতো এই ই-সিগারেটে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিকোটিন। যার ফলে উইথড্রয়াল সিম্পটমস হতে পারে।
নিকোটিন মস্তিষ্কের বিকাশের পথে বাধা তৈরি করে। তরুণ প্রজন্মের ক্ষেত্রে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারা অমনোযোগী হয়ে পড়তে পারে ।
এতে ডায়াশিটাইলের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে। যা দীর্ঘ মেয়াদে ফুসফুসের সমস্যার বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে। হতে পারে অ্যাজমা।
কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও ই-সিগারেট ক্ষতিকর। এতে থাকা ই-লিকুইড হতাশা ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। নিকোটিনের পাশাপাশি এতে আছে ফরমালডিহাইড ও অ্যাক্রোলিন। এগুলো ফুসফুসের স্বাস্থ্যে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
প্রথমত এই ধারণাটাই কিছুটা ভুল যে ই-সিগারেট ধূমপানের নেশা ছাড়তে সাহায্য করে। যদিও এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ নেই তবু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ই-সিগারেটের অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।
এই ই-সিগারেট নতুন প্রজন্মের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। ফলে খুব ছোট থেকেই তারা নিকোটিনে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সিগারেটে একটি বিশেষ ধরনের টক্সিক পদার্থ থাকে, যার কারণে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। হার্ট এবং ফুসফুসের সমস্যা তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদিও সংস্থাগুলি দাবি করে এই সিগারেট তুলনামূলক ভাবে কম ক্ষতিকর। কিন্তু সে দাবি প্রমাণিত নয়। চিকিৎসকের মতে এর বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। সেগুলো কী?
চিরাচরিত সিগারেটের মতো এই ই-সিগারেটে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিকোটিন। যার ফলে উইথড্রয়াল সিম্পটমস হতে পারে।
নিকোটিন মস্তিষ্কের বিকাশের পথে বাধা তৈরি করে। তরুণ প্রজন্মের ক্ষেত্রে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারা অমনোযোগী হয়ে পড়তে পারে ।
এতে ডায়াশিটাইলের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে। যা দীর্ঘ মেয়াদে ফুসফুসের সমস্যার বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে। হতে পারে অ্যাজমা।
কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও ই-সিগারেট ক্ষতিকর। এতে থাকা ই-লিকুইড হতাশা ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। নিকোটিনের পাশাপাশি এতে আছে ফরমালডিহাইড ও অ্যাক্রোলিন। এগুলো ফুসফুসের স্বাস্থ্যে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
















