আজকাল ওয়েবডেস্কঃ আধুনিক জীবনযাত্রায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে হার্টের উপরে। আজকাল বয়স ৩০ বছর পেরতে না পেরতেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও। নেপথ্যে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস,শরীরচর্চার অভাব, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা সহ বিভিন্ন কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মতো ক্রনিক রোগের হাত ধরে অল্প বয়সেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হৃদরোগ। তাই হৃদয়ের যত্ন নেওয়া জরুরি। বিপদ ঠেকাতে কোন কোন খাদ্যাভ্যাসে বদল আনবেন, জেনে নিন-

* বেশি করে ফাইবার খানঃ ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং ডাল জাতীয় খাবার অন্ত্রে ভাল ব্যাকটেরিয়া বজায় রাখে এবং সারা শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হৃদরোগ এড়াতে নিয়মিত ফাইবারযুক্ত খাবার খান। 

* প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিনঃ অতি-প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস এবং খাবার অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাহত করতে পারে, যা হৃদরোগ এবং বিপাকীয় সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

* পাতে রাখুন ফার্মেন্টেড খাবারঃ খাদ্যতালিকায় দই, কেফির, কিমচি এবং স্যুরক্রট রাখার চেষ্টা করুন। এই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবারগুলি একটি বৈচিত্র্যময় এবং স্বাস্থ্যকর মাইক্রোবায়োম বজায় করে।

* রেটমিট এবং ডিম সীমিত করুনঃ এই খাবারগুলি অন্ত্র থেকে প্রাপ্ত যৌগ টিএমএও-এর মাত্রা বাড়াতে পারে। যার ধমনী বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগের সঙ্গে যুক্ত।

* হাইড্রেটেড থাকুন এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুনঃ সঠিক হাইড্রেশন হজম ক্ষমতা ঠিক রাখে। অন্যদিকে মানসিক চাপ অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে ব্যাহত করে এবং প্রদাহের দিকে পরিচালিত করতে পারে যা ফলে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়।