আজকাল ওয়েবডেস্ক: নাম তাঁর নিক স্টোবেরি। থাকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে। নিক এমন এক বিরল রেকর্ডের অধিকারী যা শুনতে হয়তো অদ্ভুত লাগতে পারে। পৃথিবীতে যত পুরুষ রয়েছেন তার মধ্যে নিকেল জিভ দীর্ঘতম। গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী তাঁর জীভের দৈর্ঘ্য ১০.১ সেন্টিমিটার অর্থাৎ প্রায় ৪ ইঞ্চি।
আরও পড়ুন: প্রকাণ্ড করতে গিয়েছিলেন লিঙ্গ, ফস করে পুরোটাই কেটে ফেললেন চিকিৎসক! মাথায় হাত রোগীর
নিজের জিভ নিয়ে বেশ গর্ববোধ করেন নিক। তাঁর দাবি যখনই কেউ তাঁকে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন, তাঁকে পৃথিবীর দীর্ঘতম জীবের অধিকারী বলেই পরিচয় করান। তাঁর আরও দাবি, এত লম্বা জিভ থাকার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন খাবার খাওয়ার সময় চিবুকে কোনও খাদ্যকণা আটকে গেলে জিভ দিয়েই সেটি পরিষ্কার করতে পারেন তিনি। তবে জিভ ব্যবহার করে তিনি এমন একটি বিশেষ কাজ করেন যা হয়তো পৃথিবীতে অন্য কেউ করেন না। জিভে রং মাখিয়ে ছবি আঁকেন দিন। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও বিষয়টিকে শৈল্পিক বলেই মনে করেন নিক।
প্রসঙ্গত, নিক ছেলেদের মধ্যে প্রথম হলেও পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা জিভের মালিক কিন্তু একজন নারী। বিশ্বের দীর্ঘতম জিভের অধিকারিণীর নাম শ্যানেল ট্যাপার। ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দ্বারা বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা জিভের অধিকারিণী হিসেবে স্বীকৃতি পান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা এই তরুণী। সেই সময় তাঁর জিভের দৈর্ঘ্য ছিল ৯.৭৫ সেন্টিমিটার বা ৩.৮৬ ইঞ্চি। ঠোঁটের ডগা থেকে জিভের অগ্রভাগ পর্যন্ত এই মাপ নেওয়া হয়। এহেন রেকর্ড তাঁকে রাতারাতি বিখ্যাত করে তোলে।
আরও পড়ুন: প্রকাণ্ড করতে গিয়েছিলেন লিঙ্গ, ফস করে পুরোটাই কেটে ফেললেন চিকিৎসক! মাথায় হাত রোগীর
সম্প্রতি নিজের রেকর্ড ফের একবার যাচাই করান তিনি। গত ৩১ মার্চ আবারও জিভের দৈর্ঘ্য মাপেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নিয়ম অনুযায়ী, জিভের দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। শ্যানেল-এর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। জিভের দৈর্ঘ্য মাপার জন্য মুখ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে, স্বাভাবিক অবস্থায় জিভের ডগা পর্যন্ত দৈর্ঘ্য মাপা হয়। একাধিকবার এই পদ্ধতিতে জিভের দৈর্ঘ্য মাপা হয় যাতে পরিমাপে কোনো ভুল না থাকে।
আরও পড়ুন: প্রকাণ্ড করতে গিয়েছিলেন লিঙ্গ, ফস করে পুরোটাই কেটে ফেললেন চিকিৎসক! মাথায় হাত রোগীর
শ্যানেল সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর জিভ যে অন্যদের থেকে আলাদা তা তিনি বুঝতেন। তবে, প্রথমে তিনি এটিকে তেমন গুরুত্ব দেননি। ধীরে ধীরে যখন তিনি বুঝতে পারেন যে তার জিভ অন্যদের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে লম্বা, তখন তিনি বিষয়টি নিয়ে আরও কৌতূহলী হন। শ্যানেল আরও জানান, লম্বা জিভ তাঁকে বিভিন্ন সময় নানা মজার পরিস্থিতিতে ফেলেছে। অনেকেই তাঁর লম্বা জিভ দেখে ভয়ও পেয়ে যান। তবে ব্যক্তিগত ভাবে তিনি বিষয়টি উপভোগই করেন।
আরও পড়ুন: প্রকাণ্ড করতে গিয়েছিলেন লিঙ্গ, ফস করে পুরোটাই কেটে ফেললেন চিকিৎসক! মাথায় হাত রোগীর
শ্যানেল জানান, সহজেই তিনি জিভ দিয়ে তাঁর নাক স্পর্শ করতে পারেন, যা অনেক মানুষের কাছেই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। তবে, এর পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও তাঁকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। যেমন, বিশেষ কিছু খাবার খেতে বা কথা বলার সময় অন্যদের তুলনায় তাঁকে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয়।
