আজকাল ওয়েব ডেস্কঃআধার কার্ড হল ভারতের বাসিন্দাদের প্রত্যেকের আলাদা একটি শনাক্তকরণ প্রমানপত্র।বর্তমানে এটি বৈধ সনাক্তকরণ হিসেবে কাজ করে, য আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের জ্যোতি স্ক্যানের সাথে যুক্ত করে সরকার দ্বারা দেওয়া হয়।সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ অর্থাৎ নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে স্কুল কলেজে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত সবেতেই আধার কার্ড ছাড়া কোন কিছুই বৈধতা পায় না।এর মাধ্যমে, দেশের যেকোনো স্থানে পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণপত্র দেওয়া যায়। এমনকি প্যান কার্ডের সঙ্গেও এখন আধারের লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন সরকারি ভর্তুকি এবং সুবিধা সরাসরি পাওয়া যায় এই কার্ড থাকলে।
বড়দের মতোই ছোটদেরও আধার কার্ড করা এখন বাধ্যতামূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।শিশুর এই নীল আধার কার্ড পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত তার প্রমানপত্র হিসেবে কাজ করে।কিন্তু এই কার্ডে শিশুদের চোখের মণি বা আঙুলের ছাপের প্রয়োজন পড়ে না।শিশুর জন্মের পরই এটি তৈরি করা বাধ্যতামূলক। বর্তমানে প্রায় অনেক স্কুলেই নতুন ভর্তির সময় আধার কার্ডকেই অগ্ৰাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু এই কার্ড তৈরির সময় অভিভাবকেরা বেশ কিছু ভুল করে থাকেন।আধারের মত গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরিতে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা ভীষন প্রয়োজন।
হাসপাতাল বা আধার সেন্টারে ভিড়ের কারণে সন্তানের নাম এবং পদবী নথিভুক্ত করতে গিয়ে অভিভাবকেরা বেশিরভাগ সময় ভুল করে থাকেন।এই বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।নাম বা পদবী সঠিক না হলে ভবিষ্যতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
আপনার শিশুর আধার তৈরির সময় আপনার নির্দিষ্ট ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। সাধারণত শিশুর বাবার আধার কার্ডে উল্লিখিত ঠিকানাই শিশুর আধারে দেওয়ার নিয়ম।তাই বাবার আধারের ঠিকানা এবং তার সন্তানের সমস্ত নথি ভাল করে কম্পিউটারে দেখে মিলিয়ে নিতে হবে।
বাবা ও মায়ের আধার কার্ডের সঙ্গে তাদের সন্তানের আধারের লিঙ্ক করিয়ে নেওয়া ভীষন গুরুত্বপূর্ণ।তবেই শিশুকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারা যায়। কিন্তু অনেক অভিভাবক নিজেদের আধারের সঙ্গে সন্তানের আধারের লিঙ্ক করাতে ভুলে যান।
তবে মনে রাখবেন, আপনার সন্তানের পাঁচ বছর বয়স পেরোলেই এই ব্লু আধার কার্ডের আপডেশন জরুরি।যা ওর পাঁচ থেকে পনেরো বছর বয়স পর্যন্ত কার্যকর হবে।এইসময় শিশুর চোখের মণি ও আঙুলের ছাপের প্রয়োজন হবে।
