আজকাল ওয়েবডেস্ক: কিনোয়া নামটা একটু অচেনা হলেও, স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালির প্লেটে ইদানীং ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছে এই বিদেশি দানাশস্য। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চলের এই খাবার এখন স্বাস্থ্যকর খাদ্যের তালিকায় একদম শীর্ষে। কেন এই হইচই? কেনই বা এই কিনোয়াকে বলা হচ্ছে ‘সুপারফুড’?
কী কী উপকার পাওয়া যায়?
কিনোয়ার জনপ্রিয়তার নেপথ্যে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। প্রোটিনে ভরপুর এই শস্যটি সম্পূর্ণ উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস। অর্থাৎ, এতে সমস্ত ৯টি আমাইনো অ্যাসিডই পাওয়া যায়। শুধু প্রোটিন নয়, কিনোয়ায় রয়েছে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ফাইবার থাকায় হজম ভাল হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন হৃদযন্ত্র ও রক্তস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিনোয়া একটি আদর্শ খাবার। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। ফলে এই খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে দেয় না। আবার ফাইবার থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাট রাখে। এছাড়া কিনোয়া একটি গ্লুটেন মুক্ত খাবার। ফলে যাঁদের গ্লুটেন অ্যালার্জি বা পেটের সমস্যা আছে, তাঁদের জন্য এটি নিরাপদ।
কীভাবে খাবেন?
কিনোয়া দানা শস্য হলেও খেতে কিন্তু আমাদের চাল বা ডালের মতো নয় বরং একটু কিছুটা ছিবড়ে হয়। তবে এটি রান্নায় বিশেষ ঝক্কি নেই। ভাতের মতো ফুটিয়ে নিলেই হয়। স্যালাড, খিচুড়ি বা স্যুপ তৈরি করেও খাওয়া যায়। তবে সমস্যা একটিই, যেহেতু এই খাবার মূলত বিদেশ থেকে আসে, তাই দামের জন্য একটু হোঁচট লাগতে পারে।