সংবাদসংস্থা, মুম্বই: ১৯৮১ সালের "মমি ডিয়ারেস্ট" ছবির শুরুর দৃশ্য মনে আছে? যেখানে হলিউডের কিংবদন্তি জোয়ান ক্রফোর্ড একটি বিশেষ উপায়ে ত্বকের যত্ন নিয়েছিলেন। আইকনিক দৃশ্যের শেষ অংশে তিনি বরফের বাটিতে তাঁর মুখ ডুবিয়ে রেখেছিলেন। ক্রফোর্ড, ১৯৩০ এবং ৪০ এর দশকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে ছিলেন। ত্বকের তারুণ্য এবং সতেজ ভাব বজায় রাখতে তাঁর সেই আইস ফেসিয়ালে মজেছিলেন অনুরাগীরা। সেই কৌশলটি আজও প্রাসঙ্গিক। সুপার মডেল কেট মসও এই বিশেষ ফেসিয়াল পছন্দ করেন।
জনপ্রিয় ডার্মাটোলজিস্ট ও স্কিনকেয়ার এক্সপার্টদের মতে, এই আইস ফেসিয়ালের অনেক উপকারিতা রয়েছে। ত্বকের লাল ও ফোলা ভাব কমাতে এটি অতুলনীয়। এই ফেসিয়ালটি এত জনপ্রিয় কারণ, এতে কোনও খরচই নেই। কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। বরফের ঠান্ডা, ত্বকে একটি সতেজ অনুভূতি প্রদান করতে পারে, বিশেষ করে গ্রীষ্মের দিনে। যেসব মহিলাদের প্রি- বা পোস্টমেনোপজাল লক্ষণ বা হরমোনের ওঠানামার সমস্যা রয়েছে, এই ফেসিয়াল তাঁদের জন্যেও খুব উপকারী।
আইস ফেসিয়ালের আরও উপকারিতা হল -
এটি ত্বকের যৌবন ভাব ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক হাইড্রেটেড রাখে।
ত্বকের পোরস সংকুচিত করে লালভাব কমায়।
ত্বকে রক্ত সঞ্চালন যথাযথ রাখতে সাহায্য করে।
তবে থেরাপিস্টের দাবি, এই সব উপকারিতা মাত্র ২-৩ ঘন্টার জন্য ত্বকে কার্যকরী থাকে। তাই ১০ মিনিটের বেশি এই ফেসিয়াল না করাই ভাল। অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, ডায়াবেটিস, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বা কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইস ফেসিয়াল করার আগে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়া দরকার। কারণ তাঁদের শরীর বিশেষভাবে সংবেদনশীল হতে পারে।
জনপ্রিয় ডার্মাটোলজিস্ট ও স্কিনকেয়ার এক্সপার্টদের মতে, এই আইস ফেসিয়ালের অনেক উপকারিতা রয়েছে। ত্বকের লাল ও ফোলা ভাব কমাতে এটি অতুলনীয়। এই ফেসিয়ালটি এত জনপ্রিয় কারণ, এতে কোনও খরচই নেই। কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। বরফের ঠান্ডা, ত্বকে একটি সতেজ অনুভূতি প্রদান করতে পারে, বিশেষ করে গ্রীষ্মের দিনে। যেসব মহিলাদের প্রি- বা পোস্টমেনোপজাল লক্ষণ বা হরমোনের ওঠানামার সমস্যা রয়েছে, এই ফেসিয়াল তাঁদের জন্যেও খুব উপকারী।
আইস ফেসিয়ালের আরও উপকারিতা হল -
এটি ত্বকের যৌবন ভাব ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক হাইড্রেটেড রাখে।
ত্বকের পোরস সংকুচিত করে লালভাব কমায়।
ত্বকে রক্ত সঞ্চালন যথাযথ রাখতে সাহায্য করে।
তবে থেরাপিস্টের দাবি, এই সব উপকারিতা মাত্র ২-৩ ঘন্টার জন্য ত্বকে কার্যকরী থাকে। তাই ১০ মিনিটের বেশি এই ফেসিয়াল না করাই ভাল। অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, ডায়াবেটিস, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বা কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইস ফেসিয়াল করার আগে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়া দরকার। কারণ তাঁদের শরীর বিশেষভাবে সংবেদনশীল হতে পারে।
















