আজকাল ওয়েব ডেস্ক: খিদে পাওয়া সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। তাই ক্ষুধামন্দার পিছনে কোনও শারীরিক সমস্যা লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। অনেক সময় চোখের সামনে পছন্দের খাবার দেখলেও খেতে ইচ্ছে করে না , এমনটা কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। তাই সময় থাকতেই সচেতন হওয়া প্রয়োজন। তাহলে খিদে না পাওয়া কোন কোন জটিল অসুখের লক্ষণ হতে পারে?  জেনে নিন।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যার কারণে অনেক সময় খিদে পায় না।  অন্ত্রে প্রদাহজনিত রোগ, গ্যাস্ট্রাইটিস ও পেপটিক আলসারের মতো রোগ হলে খিদে কমে যেতে পারে। একইসঙ্গে জন্ডিস, বদহজম কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্য হলেও খিদে না পাওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়।

থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগলে খিদে কমে যায়। থাইরয়েড বিপাক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যার জন্য থাইরয়েডে ভারসাম্যহীনতা হজমের জন্য জড়িত।

হাইপোথাইরয়েডিজমের অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন উৎপন্ন না হওয়ার জেরে খিদে কমে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে অকারণে খিদে না পাওয়া নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। পাচনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এমন ক্যান্সার, যেমন পেট বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে ক্ষুধামান্দ্য দেখা যায়। ক্যান্সারের চিকিৎসার কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির কারণে শরীরে ব্যথা, বমি বমি ভাবও দেখা দেয়।

বেশকিছু দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ,যক্ষ্মা, এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ বা এইডস দেহের ইমিউনিটি কমিয়ে দেয়। ফলে খিদে যেতে পারে।

মানসিক চাপে ভাল না থাকলেও খিদে কমে যেতে পারে। হতাশা, উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তার মতো অবস্থায় ক্ষুধামন্দা সহ বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণগুলি দেখা দেয়।