আজকাল ওয়েবডেস্ক: আজকাল ওয়েবডেস্ক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে খেলবে স্কটল্যান্ড। সেই স্কটল্যান্ড প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে গেল আফগানিস্তানের কাছে। বিশ্বকাপের আগেই ধাক্কা স্কটল্যান্ড শিবিরে।
নিরাপত্তা আশঙ্কায় ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে বাংলাদেশকে তার গুণাগার দিতে হয়েছে।
সেই বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপ খেলতে এসেই পরাজয়ের মুখ দেখতে হল স্কটল্যান্ডকে।
সোমবার বেঙ্গালুরের বিসিসিআই ক্রিকেট সেন্টারে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হার মানে স্কটল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৮৪ রান করেন আফগানরা। দারউইস রসুল ব্যাটিং তাণ্ডব চালান। ৪৬ বলে ৭টি চার আর ৫টি ছক্কার সাহায্যে ৮৪ রানের মারমুখী ইনিংস খেলেন তিনি। অন্যদিকে মহম্মদ নবিও ১৬ বলে ৩৪ রান করেন।
রান তাড়া করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ১২৩ রানে শেষ হয়ে যায় স্কটল্যান্ড। ৬১ রানে জয় পায় আফগানিস্তান। আফগানরা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বেশ ভাল। বারংবার তা প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে সেটাই আরও একবার প্রমাণিত হল।
এদিকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে ক্রিকেটের জন্য দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠন বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন।
স্কটল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়ান প্রধান নির্বাহী টম মুডি বলেছেন, ''আমরা এভাবে বিশ্বকাপ খেলতে চাইনি। বিশ্বকাপ দলের সুযোগ পাওয়ার একটি যোগ্যতা প্রক্রিয়া আছে, নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলাম।''মুডির সংযোজন, ''কেউই আমাদের মতো করে যোগ্যতা অর্জন করতে, অংশগ্রহণ করতে বা বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ পেতে চায় না। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে নেই, ওদের কষ্ট অনুভব করছি।''
বিশ্বকাপের বল গড়ানোর আগে থেকেই বিতর্ক আর বিতর্ক। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেঁটে ফেলার পর যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত। ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে আসার বিষয়ে বেঁকে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন আইসিসির প্রাক্তন কমিউনিকেশন হেড সামি উল হাসান বার্নি। দাবি করেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে এই অশান্তি আটকাতে পারত। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মুস্তাফিজুরকে কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেওয়ার পরই ঘটনার ঘনঘটা। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে আসতে চায়নি বাংলাদেশ। তাঁদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায়। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানায় পাকিস্তান। কিন্তু আইসিসি তাঁদের আবেদনে কর্ণপাত করেনি। বিশ্বকাপ থেকে ছেঁটে ফেলা হয় ওপার বাংলার দলকে। সুযোগ দেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে। এরপরই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান।
