আজকাল ওয়েবডেস্ক: শনিবার শহর কলকাতায় পরিবর্তন সংকল্প সভায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে সেজে উঠেছে ব্রিগেড। শনিবার দুপুর ১.২০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন মোদি।

সেখান থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ১.৪৫ নাগাদ রেসকোর্স হেলিপ্যাডে নামবেন তিনি। মোদির সভা ঘিরে ব্রিগেডে কড়া নিরাপত্তা। শুক্রবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির ছবি ধরা পড়ল ব্রিগেডে। শহরে নরেন্দ্র মোদির সভায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা থাকছে বলে জানা গিয়েছে। 

দফায় দফায় সভাস্থল পরিদর্শন করেছে কলকাতা পুলিশ, ঘুরে গিয়েছেন রাজ্য ডিজি আইনশৃঙ্খলা বিনীত গোয়েলও। শেষ মুহূর্তের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে এদিন ব্রিগেডে ড্রোন উড়তেও দেখা গিয়েছে।

গোটা সভার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এসপিজি। তাছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কলকাতা পুলিশ। মূল মঞ্চের পাশে বড় ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে, মঞ্চের চারদিকে একাধিক হ্যাঙ্গার রয়েছে।

প্রত্যেক হ্যাঙ্গারে নিরাপত্তাকর্মীরা থাকছেন। এসপিজি ছাড়াও কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভায় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাফিক পুলিশ এবং ৫০০ থেকে ৬০০ কলকাতা পুলিশের কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও রিজার্ভে ফোর্স থাকছে। সভার একটাই মূল মঞ্চ থাকছে। মূলমঞ্চ থেকে দর্শকাসনের মাঝেও কড়া নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশকর্মীরা। প্রায় ১০ ফুট উঁচু এবং ৮০ ফুট চওড়া মূলমঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।

এদিন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সভাস্থলে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও।

শমীক জানান, শনিবারের সভা ঐতিহাসিক সভা হতে চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির লক্ষ্য বাঙালি অস্মিতায় জোর দেওয়া। এর আগে সিঙ্গুরের সভাতেও বাংলা ভাষা এবং বাংলা সংস্কৃতির ওপর জোর দিতে দেখা গিয়েছিল মোদিকে।

কলকাতার সভাতেও সেরকমটাই হবে সেটাই জানা যাচ্ছে বিজেপি সূত্রে। শনিবারে নরেন্দ্র মোদির সভার থিম দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির। মঞ্চের ব্যাকড্রপ হিসেবেও দক্ষিণেশ্বেরকেই ব্যবহার করা হচ্ছে। মঞ্চের চারপাশে থাকছে বাংলার লোকশিল্প, হাওড়া ব্রিজ, বাউলগীতির বিভিন্ন নিদর্শন।