আজকাল ওয়েবডেস্ক: মদন আসলে 'মিত্র' কাদের? মমতা তৃণমূলের, নাকি ঋতব্রত তৃণমূলের। শুক্রে হাসতে হাসতে জল্পনা কয়েকগুণ কি বাড়িয়ে দিলেন কুণাল ঘোষ? রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা স্রেফ এক লাইনেই।
মমতা-পন্থী মদন আচমকা শিবির বদল করে হইচই ফেলে দিয়েছেন। একদিকে কালীঘাট তৃণমূল বলছে, মদন শিবির বদলেছেন ইডি'র ভয়ে। মদন বলছেন ইডি'র থেকে ভয় বেশি এবি'কে। দুষছেন অভিষেককে। এসবের মাঝেই কুণাল ঘোষ শুক্রবার বিধানসভার বাইরে মদনের পাশে দাঁড়িয়েই বলেন, 'শারীরিক ভাবে ওদিকে গেছেন, কিন্তু মন পড়ে আছে এদিকে। কাপুরুষের মতো ইডি দিয়ে বৌদি-ছেলেকে নোটিস দিয়েছে। আমরা চাই মদনদা ভাল থাকুক, দু'চারদিন যা মন চায় প্রাণ চায় করুক। আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।'
পাশে তখন দাঁড়িয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান ব্যানার্জি, অশোক দেব। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘর থেকে বেরিয়েই কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক, দীর্ঘদিনের কর্মীদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। সেখানেই হাসি-মজায় উঠে আসে এই মন্তব্য। মদনকেও বলতে শোনা যায়, 'আগামী দশ বছর শোভনদা বিরোধী আসনেই বসবেন...।' যদিও মদন এই সাক্ষাৎকে স্রেফ সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। বলছেন, এতে তাঁর সিদ্ধান্তের, অবস্থানের বদল হবে না। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরেও বলেন, নৈতিকতা থেকে তিনি সরবেন না। কুণালকে কটাক্ষ করে বলেন, 'কুণালের হারাবার দিন খুব তাড়াতাড়ি...।'
এর আগেই, কালীঘাট তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আজকাল ডট ইন-কে জানান, 'মদনের স্ত্রী-ছেলের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এসব গণতান্ত্রিক দেশে ঘটে না। মদন আমাদের সহকর্মী। পরশু দিন রাত্রেও আমার সঙ্গে কথা হয়েছিল। এসব কোনও গণতান্ত্রিক দেশে হয় না। এটা দুর্ভাগ্যের বিষয়।'
















