আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনি লড়বেন। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। এই বার্তাই দিচ্ছেন মমতা। বৃহস্পতিতে যেন বার্তা আরও স্পষ্ট। সঙ্গেই যাঁরা তাঁর হাত ছাড়তে চান তাঁদের একপ্রকার 'লোটা-কম্বল' নিয়ে চলে যাওয়ার ডেডলাইনও দিয়ে দিলেন। 

কালীঘাটের বাড়ি থেকেই, এদিন ফের লাইভে আসেন মমতা। সেখানেই বলেন, ' যাঁদের যাঁদের আরও যাওয়ার আছে, বিজেপি এবং পুলিশের চাপে, মাথা নত করার চাপে, কোর্ট কেস, ইডি, সিবিআই, সিআইডি, আইসি-ওসি, এসটিএফের চাপে তাঁদের অনুরোধ করে বলব, দয়া করে ২১ জুলাইয়ের আগে যার যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যাঁরা যাঁরা জীবনে বাঁচতে চান লোটা কম্বল নিয়ে তারা দয়া করে যেখানে ইচ্ছে যান, বিজেপির কথা শুনে চলে যান। দয়া করে আমরা যে দলটি তৈরি করেছি তাকে কলঙ্কিত করবেন না। আমি এক্ষুনি সংবিধানটা পড়ছিলাম, ক্লজ ১৯, চলাফেরার স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা যেগুলো মানুষের আছে, সংবিধান বলে দিয়েছে আপনারা করতেই পারেন। তবে তাতে আমরা একটুও দুর্বল হব না।'


একইসঙ্গে ২১ জুলাই নিয়ে মমতা বলেন, 'যদিও আদালতের অনেক বিধিনিষেধ আছে। আমরা চেষ্টা করব আমাদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করে, শান্তিপূর্ণ ভাবে সবাই এক জায়গা হয়ে সভাটা করতে। আমি জানি পুলিশ অনেক জায়গায় বলছে যাবেন না, আটকে দেবো, আমি প্রশাসনকে বলবো নিরপেক্ষ থাকুন।‌ মনে রাখবেন জীবনটা অনেক দিনের, দিল্লি টলমল হলেই এখানে কিন্তু ঢলমল হয়ে যাবে।' তারপরেই তিনি বলেন,  'যারা আজও যাচ্ছে তারা কিন্তু গোপনে গোপনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছে। কেউ ভয় সহ্য করতে পারে, কেউ পারে না,‌ এটা তাদের ব্যাপার। আমরা মাথা নিচু করে চলি না বলে আমাদের এই সবকিছুর সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তা আমরা যদি সম্মুখীন হতে না শিখি, বাংলাকে ভালোবাসতে না শিখি, দেশকে ভালোবাসতে না শিখি, মানুষের রায়টাকে সম্মান না জানাই তাহলে নিজেরা একদিন আত্মগ্লানিতে ভুগবো না? তাই বলি যা করেছেন ভালো করেছেন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আপনাদের পরিবারগুলো ভালো থাকুক।'