আজকাল ওয়েবডেস্ক: আচমকাই ‘আন্ডার রিভিউ’-এ চলে গেল বহু হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট। সোমবার সন্ধ্যা থেকে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের একাধিক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই তাঁদের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের একাধিক পরিষেবা ব্যবহার করতে সমস্যার মুখে পড়েন তাঁরা।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ সমস্যাটি সামনে আসে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীরা জানান, অ্যাপে একটি বার্তা দেখানো হচ্ছে যেখানে বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মের Terms of Service মেনে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতে তাঁদের অ্যাকাউন্ট ‘রিভিউ’-এ রাখা হয়েছে।
যাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ খুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন, তাঁরা জানিয়েছেন, অ্যাপ খুললে সেখানে দেখাচ্ছে, Account in review. Date requested: 3 Aug 2026. Your account activity and device info is being checked to make sure it follows our terms of service. We will notify you of the result, typically within 24 hours.
এই বার্তার নীচে ‘Learn about account issues’ নামে একটি অপশনও দেখা যাচ্ছে। সেখানে How to use হোয়াটসঅ্যাপ responsibly. See guidance এবং About stolen phone and accounts-এর মতো তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের এক মুখপাত্র বলেন, অপব্যবহার রুখতে এবং প্রকৃত ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেন, আমরা সবসময়ই এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজ করি, যারা আমাদের পরিষেবার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন। অন্য ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনে অ্যাকাউন্টও নিষিদ্ধ করা হয়। তবে কখনও কখনও ভুলবশত কোনও বৈধ অ্যাকাউন্টও প্রভাবিত হতে পারে। এমন হলে যত দ্রুত সম্ভব সেই সমস্যা সমাধান করে ব্যবহারকারীদের আবার পরিষেবায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করি।
তবে ঠিক কতগুলি অ্যাকাউন্ট এই সমস্যায় পড়েছে বা এটা কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি কিনা, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি সংস্থা। এদিকে, বহু ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, তাঁরা এই বিষয়ে কিছুই জানেন না।
তা সত্ত্বেও কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই তাঁদের অ্যাকাউন্ট ‘আন্ডার রিভিউ’-এ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অনেকে এবং হোয়াটসঅ্যাপের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
















