আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৪ সালের নভেম্বর মাস। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন চিন্ময়কৃষ্ণ। তারপর থেকে একাধিক মামলায় জেলে রয়েছেন তিনি। পদ্মাপারে ইউনূস জমানা বদলে এখন তারেক জমানা। তাতেই জামিন মিলল চিন্ময়কৃষ্ণের। যদিও কেবল দুটি মামলায় জামিন মিলেছে তাঁর। ফলে জেলমুক্তি কবে হবে? প্রশ্ন ঘুরছে সেটাই।
রবিবার, ২ আগস্ট দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। হত্যাচেষ্টা এবং ভাঙচুর, হামলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ, এই দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে মোট ছ'টি মামলা। অন্য দুটি মামলার জামিন শুনানি হতে পারে ১৬ আগস্ট, সূত্রের খবর তেমনটাই। কিন্তু কবে চিন্ময় কৃষনের কারামুক্তি হবে, তা নিয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই কোথাও। উল্লেখ্য, ২০২৪-এর জুলাই থেকেই দফায় দফায় উত্তাল হয়েছিল বাংলাদের। ২০২৪-এর শেষের দিকেই, গ্রেপ্তার হন তিনি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোট, অর্থাৎ চিন্ময় কৃষ্ণ যার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, হাসিনা সরকারের পতনের পর, ২০২৪ সালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে সুরক্ষার দাবিতে এই সংগঠনটি বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সমাবেশের আয়োজন করেছিল।
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ২০২৪-এই গণঅভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতা হারিয়েছেন মুজিব-কন্যা। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যেই হাসিনাকে গণহত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে। তিনি সাজা মাথায় নিয়ে দেশে ফিরবেন কিনা জল্পনার মাঝেই, নিজেই জানিয়েছিলেন, ফেরার কথা।
হাসিনা দিনকয়েক আগেই জানান, তিনি চলতি বছরের শেষে, ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা। তারপরেই সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েই, বলেছেন, 'দেশে ফেরার পর তাঁরা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকী হত্যাও করতে পারে। তবুও আমাকে যেতেই হবে। আমার দলের নেতা-কর্মীরা চরম দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছেন। মৃত্যু যদি আসেই, তবে তা যেন আমার নিজের মাটিতেই আসে।' আগামী ৫ আগস্ট তিনি ভার্চুয়ালি বক্তৃতা দেবেন, দিল্লি থেকে। সেখানেই দিনক্ষণ ঘোষণা করবেন বলে জল্পনা।
















