আজকাল ওয়েবডেস্ক: মানুষের কাছে বহু প্রাণী পোষ মানে। সেই তালিকায় সবার আগে রয়ছে কুকুর এবং বিড়াল। বেশিরভাগ মানুষই এদেরকে পোষ মানাতে পছন্দ করেন। তবে কেউ কী ভেবে দেখেছেন সাপকে কেন মানুষ পোষে না। সাপ কী মানুষের পোষ মানে। এবার সামনে উঠে এল এই তথ্য।


গবেষণা থেকে উঠে এসেছে সাপ কখনই তার মনিবকে চিনতে পারে না। এটা হয়েছে সাপের ক্ষীণ স্মৃতির কারণেই। সাপ কখনই নিজের অতীতকে মনে রাখতে পারে না। তাই যদি কোনও মানুষ তাকে হাতে তুলে নেয় বা তার লেজটি ধরে নাড়াচাড়া করে তাহলে সাপ সেটিকে নিজের বিপদ বলেই চিহ্নিত করে। সাপের আরও একটি দুর্বল দিল হল তাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বেশ কম। তারা জিভের মাধ্যমেই কোনও প্রাণীর অবস্থান নিশ্চিত করে। 


যারা প্রাণীদের ভালবাসেন তাদের মতে এমন বহু নিদর্শন রয়েছে যেখানে সাপ অনেকে নিজের বাড়িতে পুষেছেন। সেখানে সাপের সঙ্গে হয়তো সেই ব্যক্তির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এমন বহুবার দেখা গিয়েছে সাপ হঠাৎ করে সেই ব্যক্তিকই আক্রমণ করেছে। এটি তার স্বভাব। এখান থেকে তাকে সহজে বের করা কঠিন।


সাপের আরও একটি বড় দুর্বলতা হল তাকে কোনওভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় না। যেভাবে অন্য প্রাণীরা প্রশিক্ষণের আওতায় আসে সাপ তার মধ্যে পড়ে না। সাপের ক্ষীণ স্মৃতি তাকে অনেকটা পিছনে ফেলে দেয়। অনেক সময় দেখা গিয়েছে যদি কোনও ব্যক্তি একটি সাপকে ছোটো থেকেই পুষেছেন তাহলে সাপ সেই ব্যক্তির দেহের গন্ধ চিনতে পারে। সেটাও খুব অল্প। যদি তার বাইরে অন্য কেউ তাকে হঠাৎ করে হাতে নিতে যায় তাহলে দ্রুত সে তাকে আক্রমণ করে।


সাপ সর্বদাই নিজেকে বিপন্ন বলে মনে করে। তাই যে কাউকে যেকোনও সময়ে সে অতি সহজেই আক্রমণ করে থাকে। এটি সাপের জন্মগত স্বভাব। এখান থেকে তাকে বের করে নিয়ে আসা অতি কঠিন।

&t=116s


তবে যেখানে সাপ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে সেখানে দেখা গিয়েছে সাপকে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দিলে সে নিজে থেকেই চলে আসে। সেখানে তার শান্ত স্বভাবের পরিচয় মিলেছে। তবে সামান্যতম বিপদের আঁচ পেলেই সে নিজের মূর্তি ধারণ করবে। সেখানে নিজের মনিব বলে তার কাছে কিছু নেই। সাপ যেহেতু স্তন্যপানী প্রাণী নয় সেজন্য তার ব্রেন সামাজিক বন্ধনের জন্য তৈরি নয়। তাই তাকে ঘরে রাখলে চিন্তা থেকেই যায়।