আজকাল ওয়েবডেস্ক: পর পর বিস্ফোরণের শব্দে কাঁপছে ইরান। সর্বভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলের। পরিস্থিতি বিচারে জরুরি অবস্থা জারি ইরানে।

গতবছরেই পরিস্থিতি আশঙ্কা জাগিয়েছিল। ইরান-ইজরায়েল, একে অপরের উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পরেই বিশ্ব জুড়ে আশঙ্কা পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণেও আসে  যাবতীয় পরিস্থিতি। তাতেও উদ্বেগ কতটা কমেছে তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই। আশঙ্কা বাড়ে সম্প্রতি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে। 

সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-পার্শ্ববর্তী আরব-দেশগুলি থেকে ফিরিয়ে নেন আমেরিকার কর্মীদের। তারপর থেকেই ইজরায়েলের ইরানের উপর হামলা চালানোর সম্ভাবনা জোরদার হয়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, আমেরিকাকে জানিয়ে বা না জানিয়ে এবার কি ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে সরাসরি হামলা চালাবে ইজরায়েল? 

 

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত, শুক্রবারের ভোররাতে সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করেছে। ইতিমধ্যে হামলার বিষয়ে আইডিএফ মুখপাত্র বিজি এফি ডিফ্রিন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, এই হামলা মূলত আত্মরক্ষার জন্য। নিজেদের রক্ষা, নিজেদের সন্তানদের রক্ষার উদ্দেশেই এই পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস জানিয়েছে, ইরান সরকারের হাতে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ইজরায়েল রাষ্ট্র এবং বৃহত্তর বিশ্বের জন্য বড় হুমকি। প্রথম ধাপে হামলা চালিয়েছে আইএএফ জেট বিমান। লক্ষ্য ছিল ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলের সামরিক লক্ষ্যবস্তু, ঘাঁটি এবং পরমাণু ঘাঁটি। 

 

ইরানি হামলার আশঙ্কা দূর করতে, যত সময় লাগবে, ততদিন পর্যন্ত চলবে অভিযান, সাফ জানিয়েছেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু। অন্যদিকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে আমেরিকা। ইরানের উপর হামলার পরেই রুবিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিবৃতিতে, এই হামলায় কোনওভাবেই জড়িত নয় আমেরিকা।