আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইরানকে ‘পাথুরে যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন আগেই। তার কিছু পরেই তেহরানের কাছে আছড়ে পড়ল ক্ষেপণাস্ত্র। দুই দেশের যৌথ হামলায় গুঁড়িয়ে গেল মধ্য এশিয়ার সবথেকে উঁচু ও বৃহত্তম সেতু। এই ঘটনার জেরে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর।
রাজধানী তেহরানের সঙ্গে পশ্চিমের শহর কারাজকে জুড়তে তৈরি হচ্ছিল ১৩৬ মিটার উঁচু এক বিশাল সেতু। প্রযুক্তির দুনিয়ায় যাকে দেখা হতো পশ্চিম এশিয়ার অন্যতম বিস্ময় হিসেবে। কিন্তু আচমকা আকাশপথে হামলায় সেই ‘বি-১’ সেতুটি এখন ধ্বংসস্তূপ। ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, প্রথমবার হামলার পর যখন উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, ঠিক তখনই দ্বিতীয়বার হামলা চালায় শত্রু দেশ।

এই ধ্বংসলীলার ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করে রীতিমতো হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, "ইরানের সবথেকে বড় সেতুটি ধুলোয় মিশে গেল। আর কোনওদিন এটি ব্যবহার করা যাবে না। মনে রাখবেন, আরও অনেক কিছু বাকি!" সেই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ইরান যেন আমেরিকার সঙ্গে 'সমঝোতায়' আসে।
এ দিন দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, এই যুদ্ধে আমেরিকার জয় নিশ্চিত। তাঁর কথায়, "বিগত পাঁচ বছর আমার শাসনে আমেরিকা কেবল জিতেই এসেছে। ইরানের জন্য আরও অনেক কিছু বাকি। সেখানকার বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোও রেহাই পাবে না।"
আপাতত আগামী দুই-তিন সপ্তাহ ইরান জুড়ে এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এহেন কড়া মনোভাবে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আবহ আরও দীর্ঘ হল।
















