আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোনার দাম হঠাৎ করেই আবার বাড়তে শুরু করেছে। প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি আউন্সে ৪,৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছে। আমেরিকা–ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির কথা নিয়ে আলোচনা যখন চলছে তখন সোনার দিকে বিনিয়োগকারীরা আবার ঝুঁকছেন বলে অনুমান।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ইরান হরমুজ প্রণালী বিশ্বের দরবারে উন্মুক্ত রাখার জন্য নাকি সোনার দাম বেড়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত পরিস্থিতিতে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই শুরু হতে পারে। তবে তেহরান এই আলোচনার বিষয়ে এখনও কিছুই জানায়নি।
এরপরেই সোনার বাজার বদলেছে। টানা ন’দিন সোনার দাম নিম্নমুখী ছিল। হঠাৎ দাম বাড়ার ফলে ব্যবসায়ীরা আবারও নিজেদের আগের অবস্থায় ফিরে এসেছেন। যদিও পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল নয়। চলতি বছরে সোনার দাম সর্বোচ্চ পৌঁছেছে ৫,৬২৬ ডলার প্রতি আউন্স। বর্তমান দাম এখনও সেই অঙ্কের চেয়ে ২০ শতাংশ কম। ফলে বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারছেন না সোনার দামের ওঠা নামা আসলে কার হাতে বাঁধা। এখন সোনায় বিনিয়োগ করা কি আদৌ উচিৎ?
বেঙ্গালুরুর একজন সোনা বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এক বড় ধরনের ওঠা–নামার মুখে দাঁড়িয়ে। তাঁর দাবি, বিনিয়োগকারীরা অনেকাংশেই সেইসব ভিত্তিহীন খবরের উপরে দাঁড়িয়ে বিনিয়োগ করছেন। তাঁর মতে সোনার দামের হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া আশাব্যঞ্জক নয় মোটেই। তিনি জানিয়েছেন, এই সংঘাত থামলেই সোনার দাম কমতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটছে উল্টোটা। সোনার দাম বাড়ছে। কিন্তু কেন? তার কারণ ওই অচলাবস্থা। এর পাশাপাশি ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোর উপরে আমেরিকার আক্রমণ কমেছে। অন্যদিকে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও কমেছে। এই কারণগুলোও সোনার দাম বাড়ার পিছনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই বিশ্লেষকের মতে, সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,৬০০ ডলার পর্যন্ত ওঠা আসলে একটা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। যদি দাম এখানেই স্থির থাকে, তাহলে হঠাৎ করে দাম নীচে নামবে না তাড়াতাড়ি। কিন্তু এই দাম যদি ধরে রাখা না যায় তাহলে দুম করে আবার দাম কমতে পারে।
