আজকাল ওয়েবডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে বাড়ি থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গিয়েছিলেন মহিলা। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি প্যাকেট। জয়পুর থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে রাজস্থানের বারণ জেলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রোশনবাই ও তাঁর লিভ-ইন পার্টনার মহাবীর বৈরওয়া নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে থাকা একটি প্যাকেট খুলতেই সামনে এল ভয়াবহ ঘটনা। প্যাকেটে ছিল রোশনবাই নামে ওই মহিলার চার বছরের মেয়ে ঈশিকার মৃতদেহ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুরে নিজেদের ভাড়া বাড়িতে থাকার সময় কোনও কারণে বচসা বাধে রোশনবাই ও মহাবীরের। সেই সময় কোনও কারণে খুন করা হয় ঈশিকাকে। সেই সময় ওই যুগল ঠিক করেন তাঁরা মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলবেন। এরপর ঈশিকার দেহ একটি বড় কাপড়ে জড়িয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিয়ে রওনা দেন ৩০০ কিলোমিটার দূরে মহাবীরের গ্রামের বাড়িতে। সেখানে মৃতদেহটিকে একটি আলমারির ভিতর লুকিয়ে রাখা হয়।
জানা গিয়েছে, গত শনিবার আলমারি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করলে সন্দেহ জাগে মহাবীরের বাবা জয়রাম বৈরওয়ার। আলমারি খুলতেই রক্তে ভেজা ব্যাগ থেকে বেরিয়ে আসে শিশুটির মৃতদেহ। ইতিমধ্যেই, এই ঘটনায় মহাবীর বৈরওয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বারাণের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ সুপার রাজেশ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঈশিকা রোশনবাইয়ের প্রাক্তন স্বামী রবীন্দ্র বৈরওয়ার কন্যা।
গত সাত মাস ধরে সে মায়ের সঙ্গে জয়পুরে থাকছিল। তবে রোশনবাই পলাতক, তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, মহাবীরের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, চুরি ও মারধরের মতো ১৫টি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ২০২২ সালে এক কৃষককে হত্যার দায়ে সাজা হয়েছিল তাঁর। এক বছর আগে জামিনে মুক্ত হন তিনি। এখনও মৃতদেহের ময়নাতদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
















