আজকাল ওয়েবডেস্ক: একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ। নাসিকের টিসিএস দপ্তরে জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের ঘটনায় এ বার নয়া মোড়। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা কেবল ধর্মান্তরণের চাপ দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, বরং সংস্থার মহিলা কর্মীদের সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো উত্যক্ত করত। এমনকী তাঁদের ওপর নজরদারি চালাত।
তদন্তকারীদের দাবি, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যাটফর্মে অভিযোগকারী ও অন্যান্য মহিলা কর্মীদের কুরুচিকর বার্তা পাঠানো হত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সাতজনকে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে নিদা খান নামে এক অভিযুক্ত এখনও নিখোঁজ।
অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া চ্যাট, অশ্লীল মন্তব্য এবং আপত্তিকর ভিডিও এখন পুলিশের স্ক্যানারে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্য নিয়ে অফিসের অন্য মহিলাদের সঙ্গেও একই রকম অভব্য আচরণ করা হয়েছিল কি না। এদিকে মুছে ফেলা ডিজিটাল তথ্য উদ্ধারে নামানো হয়েছে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের। পুলিশের বিশ্বাস, এই তথ্য হাতে এলেই অভিযুক্তদের সাজা নিশ্চিত করা যাবে।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় কড়া অবস্থান নিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মহারাষ্ট্রের পুলিশ প্রশাসন ও সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের নোটিশ পাঠিয়ে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে। নাসিক পুলিশকে গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
একই সঙ্গে টিসিএস-এর সিইও-র কাছেও কড়া রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সংস্থার অভ্যন্তরীণ যৌন হেনস্থা বিরোধী কমিটি গত তিন বছরে কী কী কাজ করেছে এবং কত অভিযোগ জমা পড়েছে, তার খতিয়ান দিতে হবে তাঁকে।
দেশের কোথায় কোথায় টিসিএস-এর শাখা বা বিপিও রয়েছে এবং সেগুলির আইনি বৈধতা কতটা- সেই সব নথিপত্রও রাজ্য শ্রম কমিশনারের কাছে তলব করা হয়েছে। ঘটনার জেরে এখন প্রবল চাপের মুখে আইটি জায়ান্ট টিসিএস।















