আজকাল ওয়েবডেস্ক: সমাজমাধ্যমে এআই-এর সাহায্যে তৈরি ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো নিয়ে এ বার তদন্ত শুরু করেছে সাইবার ক্রাইম পুলিশ। সমাজমাধ্যমের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতেই এই পুলিশি তদন্ত বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে পৃথক একটি জিরো এফআইআর মামলাও দায়ের করা হয়েছে। এমনটাই খবর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এআই নির্মিত ভুয়া ভিডিওর উৎস কী, কীভাবেই বা তা ছড়িয়ে পড়ল এবং এই ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে মেটা-র নিজস্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি, এই বিকৃত কনটেন্ট তৈরি, আপলোড এবং শেয়ার করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম পুলিশ মেটার প্রতিনিধিদের ডেকে পাঠায়। এআই-ের সাহায্যে তৈরি নানা স্ক্যাম, ভুয়া বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য ক্ষতিকর কনটেন্ট সরাতে কোম্পানির কী নীতি রয়েছে, তা পুলিশ খতিয়ে দেখে। মেটার প্রতিনিধিরা তদন্তকারীদের দলের কাছে কনটেন্ট মডারেশন সংক্রান্ত সমস্ত নিয়মকানুন পুলিশকে ব্যাখ্যা করেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্য দিকে, দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলন চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়। এই অভিযোগে এক মহিলার বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত ২৯ জুলাই গৌতম বুদ্ধ নগরের এক্সপ্রেসওয়ে থানায় এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গাজিয়াবাদের এক বাসিন্দা অভিযোগ জানান, নয়ডার বাসিন্দা রুচিকা সিং ওই প্রতিবাদ আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে 'অশালীন' ভাষা ব্যবহার করেছেন। অভিযোগকারিণী স্মৃতি সিংয়ের দাবি, এই মন্তব্য সাংবিধানিক পদের মর্যাদাহানি করেছ। এর মাধ্যমে সমাজে ঘৃণা ছড়ানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল রুচিকার। এ জন্য রুচিকার বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩৫২, ৩৫৩(১) এবং ৩৫৬(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
















