আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনে জয়ের পরেই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা বিএনপি-র? এমনটাই খবর মিলছেবাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি সূত্রে।
জানা গিয়েছে, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।
বিষয়টি নিয়ে সূত্রের দাবি, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলির রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি চলছে।
সেখানে অন্যতম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মোদিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। সূত্রের খবর, বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরতে চায়।
সেই লক্ষ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে আমন্ত্রণ জানানো হলে নরেন্দ্র মোদি আদৌ যাবেন কিনা সে সম্পর্কে এখনও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার বাংলাদেশ নির্বাচনের ফলাফল একপ্রকার নিশ্চিত হতেই সমাজ মাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথমে ইংরেজি ও পরে বাংলায় পোস্ট করে তারেক রহমানকে "উষ্ণ অভিনন্দন" জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক জয়লাভের জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই জয় আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।’
বিদেশমন্ত্রী (ইএএম) এস জয়শঙ্করও এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা ফের পোস্ট করেন। তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও।
এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে জয়লাভের জন্য আমি ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জনাব তারেক রহমান এবং বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং অন্যান্য অনেক মিলের গভীর বন্ধন রয়েছে। আমাদের অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য সকল ভারতীয় সর্বদা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করবে।’
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।’ শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের এই নির্বাচন জয়ের দিনেই, ওপার বাংলার সঙ্গে এপার বাংলার সুসম্পর্কের বার্তাও মমতার শুভেচ্ছা বার্তায়। লিখেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।’
