আজকাল ওয়েবডেস্ক: ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া গাড়ির ফাস্টট্যাগ ইস্যুর ক্ষেত্রে কেওয়াইভি প্রক্রিয়া বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন ফার্স্টট্যাগ ইস্যুর ক্ষেত্রে আর কেওয়াইভি বাধ্যতামূলক থাকছে না। সরকারের এই সিদ্ধান্তে সারা দেশে লক্ষাধিক গাড়িচালক বড় স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।


এতদিন ফাস্টট্যাগ সক্রিয় হওয়ার পরও বহু গ্রাহককে কেওয়াইভি সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়তে হতো। বৈধ গাড়ির নথি থাকা সত্ত্বেও বারবার ফলো-আপ, দেরিতে অ্যাক্টিভেশন এবং অপ্রয়োজনীয় অভিযোগের শিকার হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। নতুন নিয়মে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুধু নতুন ফাস্টট্যাগ নয়, ইতিমধ্যে ইস্যু হওয়া গাড়ির ফাস্টট্যাগের ক্ষেত্রেও নিয়মিত কেওয়াইভি প্রক্রিয়া আর চালু থাকবে না। একই সঙ্গে ইস্যুকারী ব্যাঙ্কগুলির জন্য প্রি-অ্যাক্টিভেশন ভ্যালিডেশন বা যাচাইয়ের নিয়ম আরও কড়া করেছে। এখন থেকে এটি সক্রিয় করা হবে শুধুমাত্র বাহন ডেটাবেসের মাধ্যমে গাড়ির যাবতীয় তথ্য যাচাই করার পর। আগে যেখানে ফাস্টট্যাগ চালু হওয়ার পর যাচাইয়ের সুযোগ ছিল, সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে।


যেসব ক্ষেত্রে বাহন ডেটাবেসে গাড়ির তথ্য পাওয়া যাবে না, সেখানে ব্যতিক্রম হিসেবে ব্যাঙ্কগুলিকে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেখে যাচাই করতে হবে। এছাড়াও, অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া ফাস্টট্যাগ সম্পূর্ণ যাচাই শেষ না হলে অ্যাক্টিভ করা যাবে না।


সরকারের মতে, এই নতুন ব্যবস্থায় শুরুতেই সব ধরনের ভেহিকল ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে। ফলে ফাস্টট্যাগ চালু হওয়ার পর গ্রাহকদের বারবার ব্যাঙ্ক বা কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে না। এই সংস্কারের মাধ্যমে ফাস্টট্যাগ ব্যবস্থাকে আরও নাগরিক-বান্ধব, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে এবং একই সঙ্গে অভিযোগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

&t=1394s


এই চিন্তাভাবনাটি বহুদিন ধরেই চলছি। সেখান থেকে এবার এটি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে। এতদিন পর্যন্ত এটি নিয়ে গাড়িচালকদের বেশকিছু সমস্যার সামনে পড়তে হত। সেখানে এবার তারা অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।