আজকাল ওয়েবডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধাবস্থা। প্রভাব কতটা পড়ছে ভারতে? একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সোমবার সংসদে ইরান যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

 

আশা করা হচ্ছে, বক্তব্যে যেমন ভারতের উপর যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন, তেমনই তুলে ধরতে পারেন এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থানও। 

 

এর আগে, ১৯ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী জানান, উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনা ও কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে ওপর জোর দিচ্ছে ভারত এবং ওমান। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সহমত পোষণ করেছেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে মোদি লেখেন, ‘সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আলোচনা ও কূটনীতিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারত এবং ওমান। এই বিষয়ে আমরা দু’জনেই একমত। আমাদের বিশ্বাস এতেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরবে।’

 

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। ততই বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সঙ্কট। এই পরিস্থিতিতে রবিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলির পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ওই বৈঠক বসে।

বৈঠকে অপরিশোধিত তেল, গ্যাস, পেট্রোলিয়াম পণ্য, বিদ্যুৎ ও সার সরবরাহের বিষয়গুলি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখেন তিনি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দেশের সর্বত্র নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, স্থিতিশীল লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি পৌঁছয় তা নিশ্চিত করাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

 

বৈঠকে মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন বন্দর ও জাহাজ চলাচলমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল, বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর, খাদ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী, বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী কিঞ্জারাপু রামমোহন নাইড়ু, পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব পি কে মিশ্র ও শক্তিকান্ত দাস।