আজকাল ওয়েবডেস্ক: উৎসবের আনন্দ নিমেষেই বদলে গেল আতঙ্কে। বিয়ের অনুষ্ঠানে রসগোল্লা খেতে গিয়ে গলায় আটকে মৃত্যু হলো এক ব্যক্তির। সোমবার সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরের মালিয়ান্তা গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম ললিত সিং।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ললিতবাবু। সকালের দিকে ভোজ চলাকালীন একটি রসগোল্লা মুখে দিতেই তা তাঁর শ্বাসনালীতে আটকে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ললিতবাবু ছটফট করতে শুরু করেন, দেখা দেয় প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট। পাশে থাকা লোকজন তাঁর গলা থেকে মিষ্টিটি বের করার চেষ্টা করলেও সফল হননি। ললিতবাবুর বাবা তড়িঘড়ি তাঁকে নিকটস্থ এমজিএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের মতে, রসগোল্লাটি ললিতবাবুর শ্বাসনালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল। ফলে শরীরে অক্সিজেনের জোগান বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের পর সোমবারই দেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আনন্দবাড়ির উৎসবে এমন অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম।

অন্যদিকে, স্রেফ অঙ্ক ভুল হয়েছে৷ আর তাতেই হাড়হিম কাণ্ড৷ সামান্য অঙ্ক ভুলের ‘অপরাধে’ পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠল এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুর জেলার দেউলি কালান গ্রামের একটি জেলা পরিষদ স্কুলে। গুরুতর চোট নিয়ে বর্তমানে ওই ১০ বছরের কিশোরী চিকিৎসাধীন।

স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের হাতের অবস্থা দেখে চমকে উঠেছিলেন বাবা-মা। কালশিটে পড়া হাত নিয়ে মেয়ে জানায়, অঙ্ক মেলাতে না পারায় শিক্ষিকা তাকে বেধড়ক মেরেছেন। অভিযোগ, ঘটনার কথা জানাজানি হলে ছাত্রীকে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন ওই শিক্ষিকা। এমনকী ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে শাসানো হয় বলেও দাবি।

শেষ পর্যন্ত ‘চাইল্ড হেল্পলাইন’-এর হস্তক্ষেপে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাত্রীর বাড়ি গিয়ে ঘটনার তদন্ত করেন। তাঁদের তৎপরতাতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ঘটনার জেরে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।