আজকাল ওয়েবডেস্কঃ বেঙ্গালুরুতে এক কারখানায় দুই সহকর্মীর মধ্যে দ্বন্দ্ব পৌঁছয় চূড়ান্তে। এতেই ঘটে যায় বিপত্তি। দ্বন্দ্ব পরিবর্তন হয় ব্যক্তিগত আক্রমনে৷ দুই কর্মীর একজন হাসপাফালে ভর্তি, অন্যজন পুলিশ হেফাজতে৷ কর্ণাটকের রামনগর জেলায় সম্প্রতি ঘটে এই ঘটনা। ঘটনা জানাজানি হতে তীব্র নিন্দা চারিদিকে৷ 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গত মাসের শেষের দিকে হারোহাল্লি শিল্প এলাকায় এক যন্ত্রপাতি তৈরির কারখানায় এই ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্তের নাম গোবিন্দ গৌড়া। তিনি তাঁর সহকর্মী পরমেশ এম এম-কে উচ্চ-চাপের এয়ারগান দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁদের দুজনের কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। পরমেশ কারখানার ওয়াশরুমে স্নান করাকালীন এই আক্রমণ। আক্রমণের তীব্রতায় পরমেশ তৎক্ষণাৎ ভেঙে পড়েন। তাঁকে দ্রুত নিকটবর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন পরমেশ৷ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রথম দশদিন পরমেশ ভয়ানক কষ্টে ভোগেন৷  বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় এবং বিপদমুক্ত।

পরমেশের স্ত্রী সবিতা একই কারখানায় কাজ করেন। তিনি জানাতেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সপ্তাহের শুরুতে পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযুক্তের নাম গৌড়া।  বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংবিধানের (BNS) বিভিন্ন ধারায় অভিযুক্ত করা হয়। পরে সে জামিন পায়। পুলিশের ধারণা আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত। তদন্ত করে জানা গিয়েছে গৌড়া আক্রমণ করার আগে পরমেশ একা না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন।