আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) থেকে গণইস্তফা দিয়েছেন একাধিক বিজ্ঞানী। আর তারপরই গণইস্তফা ও স্বেচ্ছাবসর ঠেকাতে জরুরি নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় মহাকাশ বিভাগ (ডিওএস)। দেশে মহাকাশ অভিযান 'গগনযান' এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ-এ' স্তরের বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের ইস্তফা অথবা স্বেচ্ছাবসরের আবেদন এখন থেকে আর আগের নিয়মে গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের খবর, ১৪ জুলাই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে ইসরো। যা পাঠানো হয়েছে ইসরো অধীনস্থ ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি)-সহ অন্য সংস্থায়। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, বিজ্ঞানী বা প্রযুক্তিবিদদের অবসর বা ইস্তফার আবেদন জমা পড়লে কেন্দ্রের ডিরেক্টরের স্পষ্ট সুপারিশ-সহ তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মহাকাশ বিভাগে পাঠাতে হবে। ২০২০ সালের নির্দেশিকায় নিয়ম ছিল, কেন্দ্রের ডিরেক্টররাই একমাত্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন।
সাম্প্রতি রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০০ জনের কাছাকাছি কর্মী ইস্তফা দিয়েছেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম 'জিএসএলভি মার্ক-৩' প্রজেক্টের ডিরেক্টর তথা সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ভিক্টর জোসেফ টি। বিশেষজ্ঞদের মত, ২০২৩ সালের মহাকাশ নীতির পরেই দেশে স্পেস স্টার্ট-আপের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। এখন দেশে ৪০০-র বেশি স্পেস স্টার্ট-আপ রয়েছে এবং পিক্সেল, স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের মতো সংস্থাগুলিতে বিপুল বিনিয়োগ হওয়ায় অনেক বিজ্ঞানী সেখানে যোগ দিচ্ছেন।
ইসরোতে বিজ্ঞানী সংকটের পাশাপাশি সম্প্রতি দু'টি রকেট 'পিএসএলভি' পরপর দু'টি মিশনে ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছে। তবে এই ধাক্কা সামলে উঠে ইসরো তাদের আগামী বড় প্রজেক্টগুলোতে মনোনিবেশ করছে। যার মধ্যে রয়েছে—মানুষকে মহাকাশে পাঠানোর মিশন 'গগনযান', চাঁদের মাটি ফিরিয়ে আনার প্রকল্প 'চন্দ্রযান-৪', ভারতের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন 'ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন' (বিএএস) এবং মঙ্গল অভিযান 'মঙ্গলযান-২'।
















