আজকাল ওয়েবডেস্ক: কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) দুনিয়া দাপাবে ভারত। এমনই দাবি করেছেন, ওপেন এআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান। চ্যাটজিপিটি-র স্রষ্টাও অল্টম্যান। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ছে দ্রুতগতিতে। এই দেশে ব্যবসার বিস্তার ঘটানোর কথাও ভাবছেন স্যাম অল্টম্যান। প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের পথেও হাঁটারও ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন  স্যাম অল্টম্যান।

নয়াদিল্লির 'ভারত মণ্ডপম'-এ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘গ্লোবাল এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে এসে ওপেন এআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন, ওপেনএআই-এর ব্যবহারকারীর সংখ্যার নিরিখে তালিকায় আমেরিকার পরেই ভারত।

বিশ্বজুড়ে পড়ুয়াদের মধ্যে  সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভারতীয় চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেন। গবেষণার সাহায্যকারী টুলও রয়েছে চ্যাটজিপিটি-র।  LaTeX-ভিত্তিক এই টুলের নাম ‘প্রিজম’। এই এআই টুল ব্যবহারে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে এদেশ।

গত বছর, দিল্লিতে প্রথম অফিস খুলেছিল ওপেন এআই। চলতি বছর ভারতে ব্যবসার আরও প্রসার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অল্টম্যান আরও জানান, ভারতের চারটি শহরের ২০০ জনেরও বেশি অলাভজনক সংস্থাকে সম্প্রতি চ্যাজিপিটি ব্যবহার করে তাদের প্রভাব এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এদেশের মাটিতে এআই-এর তরফে সরকারের সঙ্গে  অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের রোষে পড়েছিল ওপেন এআই। ভারতের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ এবং বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বিবাদের আবহে হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো অভিযোগ করেছিলেন, আমেরিকার করদাতাদের পয়সায় ভারত, চিনের মতো বিভিন্ন দেশকে এআই পরিষেবা দিচ্ছে চ্যাটজিপিটি।

নাভারো বলেছিলেন, “ভারত এআই ব্যবহার করবে, আর তার জন্য আমেরিকার নাগরিকেরা কেন পয়সা খরচ করবেন? চ্যাটজিপিটি আমেরিকার মাটি থেকে কাজ করছে। আমেরিকার বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। আর পরিষেবা দিচ্ছে ভারত, চিন এবং বাকি বিশ্বে।” সেই বিতর্ক এড়িয়েও ভারতে বিস্তারে আগ্রহী ওপেন এআই।