আজকাল ওয়েবডেস্ক:  বিহারের খগড়িয়া জেলায় এক তরুণীর ওপর ঘটে যাওয়া চরম নৃশংসতা ও অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজন দুষ্কৃতী মিলে এক তরুণীকে অপহরণ করার পর দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে এবং তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্লেড বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। অপরাধের নৃশংসতা এখানেই শেষ হয়নি, পাশবিকতার সমস্ত সীমা পার করে নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে বন্দুকের গুলি ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো ভয়ংকর অভিযোগও সামনে এসেছে।

তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন ওই তরুণী যখন তাঁর বাড়ির কাছাকাছি একটি মাঠের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তিন থেকে চারজন সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং জোর করে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁর ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এই অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা চম্পট দেওয়ার পর নির্যাতিতা কোনওমতে রক্তাক্ত এবং গুরুতর জখম অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারকে পুরো বিষয়টি জানান। ঘটনার ভয়াবহতায় ওই তরুণী এতটাই মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছেন যে, তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল তাঁর চিকিৎসা করছেন।

এই ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিহার জুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে।