আজকাল ওয়েবডেস্ক: বন্ধুর জন্মদিনে গিয়েছিল মেয়েটি। এখনও নাবালিকা। মার্চের ৩১ তারিখ সেই জন্মদিনের সন্ধ্যাতেই নিজের বন্ধুরা মিলে ধর্ষণ করে তাকে। ঝাড়খন্ডের রাঁচিতে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নির্যাতিতার বয়ানে ১৬ এপ্রিল এফআইআর দায়ের করা হয় নামকুম পুলিশ স্টেশনে। স্টেশন অফিসার ইন চার্জ রামনারায়ণ সিং-এর কথায়, "ওরা পাঁচজনই বন্ধু ছিল। মানে মেয়েটি ও তার চার বন্ধু। এদেরই মধ্যে একজনের জন্মদিনে যায় মেয়েটি। সেখানে মদ খায় তারা। এবং মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।" তিনি আরও যোগ করেন, "ওই চারজন ছেলের বয়স ১৫ থেকে ১৭-এর মধ্যে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নির্যাতিতা-সহ বাকি চারজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। সেটা হয়ে গেলে ওদের ছেড়ে দেওয়া হবে।" 

নাবালিকা ধর্ষণ এই চলতি মাসে আরও হয়েছে। এক বছর পাঁচেকের শিশু কন্যাকে ৫৭ বছরের প্রৌঢ়, বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি বাড়িতে একা ছিল। তার বাবা-মা জঙ্গলে গিয়েছিলেন মহুয়া তুলতে। অভিযুক্ত একই পরিবারের, গ্রামেই থাকে। সে জানত শিশুটির বাবা-মা কখন বাড়িতে থাকবেন না। সেই সুযোগটাই নিয়েছিল সে।  পুলিশের বক্তব্য, সত্যবান শিশুকন্যার বাড়িতে গিয়ে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়েছিল। শিশু সরল মনে প্রৌঢ়কে ঘরে ডেকে নেয়। আর তারপরেই ঘটে যায় সেই মর্মান্তিক ঘটনা। যখন যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে শিশুটি চিৎকার করে কান্নাকাটি করতে থাকে তখন অভিযুক্ত ভয় পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।  

বাবা-মা বাড়ি ফিরে এসে দেখতে পায় তাঁদের সন্তান ভয়ে থরথর করে কাঁপছে। মা তাকে জড়িয়ে ধরেন। খানিক পরে যখন সে কিছুটা শান্ত হয় তখন কী ঘটেছে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। সেই বছর পাঁচেকের সরল জীবন, তখন মাকে বিস্তারে জানায় কী ঘটেছে তার সঙ্গে।  

পঞ্চায়েতে কোনও বিচার না পেয়ে শিশুটির মা পুলিশের কাছে যান। একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ গোটা খবর জানতে পেরে দ্রুত তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে আটক করে এবং কয়েক ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

ধর্ষণ না হলেও নাবালিকার উপরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মহারাষ্ট্রেও। ১৮০ জন নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ! উত্তাল মহারাষ্ট্রে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ১৯ বছরের যুবক মহম্মদ আয়াজ ওরফে তানভীর। তার বাড়ির এক অংশ সম্প্রতি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। এই ঘটনায় অমরাবতী জেলার পরতওয়াড়া শহরের বিপুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, অচলপুর পুরপরিষদের একটি দল বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে আয়াজের বাড়িতে অভিযানে যায়। বাড়ির প্রথম তলায় ওঠার জন্য রাস্তার ওপর যে বেআইনি লোহার সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছিল, জেসিবি দিয়ে তা ভেঙে ফেলা হয়।