আজকাল ওয়েবডেস্ক: মেয়েটি এখনও নাবালিকা। পিসির কাছে বড় হয়েছে। সেই নাবালিকা সন্তানসম্ভবা। আর তাতে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দাদার বিরুদ্ধে। সর্বভারতীয়সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, সমস্ত তথ্য, ভাইঝির থেকে, জানার পর, ছেলের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ধর্ষণের মামলা দায়ের করলেন মা নিজেই। ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ জেলায়।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিটাউলি থানার অন্তর্গত এক প্রত্যন্ত গ্রামে ঘটে এই ঘটনাটি। মেয়েটি অল্প বয়সে মাকে হারিয়েছে। বাবার দুর্ব্যবহারের কারণে, নাবালিকা ছোটবেলা থেকেই তার পিসির সঙ্গে থেকে বড় হয়েছে। তবে মেয়েটি সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়তেই, ঘটনাটি জানায় তার পিসিকে। অভিযোগ, মেয়েটির পিসতুতো দাদা নানা অছিলায় যৌন হেনস্থা করতেন। সঙ্গেই ভয়ও দেখাতেন বলে অভিযোগ।

সমস্ত ঘটনা জানতে পেরে ওই মহিলা একেবারে স্তম্ভিত হয়ে যান বলে জানা যায়। তারপরেই মহিলা ভাইঝিকে নিয়ে সোজা পুলিশের দ্বারস্থ হন। ভাইঝির উপরে হওয়া অন্যায়ের সঠিক বিচার চেয়ে তিনি নিজের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। 

প্রসঙ্গগত, মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলাতেও শিউরে ওঠা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গণধর্ষণের শিকার হয় তিন বছরের এক শিশু। অভিযোগ ওঠে নিজের কাকা ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে। দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে তুলে নিয়ে যায় বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরের এক মাঠে। সেখানেই এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। শিশু কন্যার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে যান। তারপর তাকে উদ্ধার করে এলাকার এক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন। গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার কয়েক ঘন্টা পরেই পুলিশ, কাকা ও তাঁর বন্ধুদের গ্রেপ্তার করে। তদন্তে জানা যায় অভিযুক্তরা মাদকাসক্ত ছিলেন। 

অন্যদিকে খোদ পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে গুরুতর যৌন হেনস্থার অভিযোগ। কর্ণাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার মুরাবিদ্রি থানার ইন্সপেক্টর সন্দেশ পি.জি.-র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন এক মহিলা। অভিযোগকারিণীর দাবি, নিজের স্বামীর মুক্তির আবেদন নিয়ে থানায় গেলে ওই পুলিশ আধিকারিক তাঁকে কুপ্রস্তাব দেন। 

 

&t=1800s