আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্চ মাসে হরিয়ানার রাজ্যসভার ভোট হয়েছে। সেখানে পাঁচ বিধায়ককে ক্রস ভোট দিতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁরা কংগ্রেসকর্মী হলেও ভোট দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থীকে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার তাঁদের বরখাস্ত করা হল দল থেকে। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রধান রাও নরেন্দ্র সিং ঘোষণা করে জানান দল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে পাঁচ কর্মী তথা নির্বাচিত বিধায়ককে। তাঁরা হলেন, নারায়ণগড়ের বিধায়ক শল্লি চৌধুরী, সাধৌরার বিধায়ক রেণু বালা, পুনাহানার বিধায়ক মহম্মদ ইল্লাস, হাথিনের বিধায়ক মহম্মদ ইজরায়েল এবং রাতিয়ার বিধায়ক জর্নৈল সিং। 

এঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৬ মার্চ রাজ্য সভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী সতিশ নন্দলকে ভোট দিয়ে বিজেপিকে সাহায্য করেছেন তাঁরা। এই ঘটনাকে 'দলবিরোধী' আচরণ বলে মন্তব্য করে দল। জানা গিয়েছে, পরে দল তাঁদেরকে ক্রস ভোট করার পিছনে কারণ জানাতে বলেছিল। কেন তাঁরা নিজের দলকে ভোট দেননি সেই কারণ জানালে, সেই কারণগুলিকে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে দল বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের বরখাস্ত করে। 

ভোটের যে অঙ্কটা সহজ হবে বলে আশা করেছিল কংগ্রেস, বর্তমানে সেই অঙ্কটাই বদলে গেল এই ঘটনার জেরে। বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় ভাটিয়া প্রথম আসনটি পেলেও, দ্বিতীয় আসনের জন্য কংগ্রেস প্রার্থী করমবীর সিং বৌধ নন্দলের সঙ্গে তাঁর ভোটের লড়াই হয়েছিল হাড্ডাহাড্ডি। সেই লড়াইয়ে কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়ক নিজের দলকে ভোট না দিয়ে কংগ্রেসকে আরও একটু বিপন্ন করে তুলল। 

যে বিধায়কদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁরা এই ক্রস ভোটিং-এর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য দলের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা ভোট দিয়েছেন। তাঁদের নাম অকারণে এই বিতর্কে জড়ানো হয়েছে। এক দলীয় কর্মী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ অনেক ভেবে চিনতে করা হয়েছে। তাঁর সাফ কথা, দলের অভ্যন্তরীণ 'শৃঙ্খলা' ভাঙার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন কর্তৃপক্ষ।