আজকাল ওয়েবডেস্ক : দেশের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অপরাধের একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের মোট ১৫১ জন বিধায়ক এবং সাংসদের নামে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা রয়েছে। আর যদি দলগতভাবে অপরাধের অভিযোগ বিচার করা যায় তবে সেখানে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি নেতারা। বেশ কয়েকটি ধর্ষণের মামলাও রয়েছে।
২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া প্রার্থীদের হলফনামা খতিয়ে দেখেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস। এই পাঁচ বছরে কমিশনের মোট ৪৮০৯ টি নির্বাচনী হলফনামা জমা পড়েছে। সেখানে ৪৬৯৩ টি হলফনামা বিশ্লেষণ করে ৩০০ পাতার রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুসারে দেশের ১৬ জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণের মামলা। এই মামলায় যদি তাঁরা দোষী প্রমাণিত হন তবে শাস্তি হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড।
দেশের প্রথম সারির দুই বড় দল বিজেপি এবং কংগ্রেসের ৫ জন করে জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওড়িশা। বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-য়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
পাশাপাশি বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলাও রয়েছে। তালিকায় রয়েছে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলার তালিকায় রয়েছে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের নামও।
