আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ আবহের মধ্যেই টেরিটোরিয়াল আর্মি সদস্যদের ডিউটিতে তলব করল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ১৯৪৮ সালের টেরিটোরিয়াল আর্মি রুলের ৩৩ নম্বর নিয়মের অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সেনাবাহিনী প্রধানকে টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্যদের ডাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বিদ্যমান ৩২টি টেরিটোরিয়াল আর্মি ব্যাটালিয়ন থেকে সদস্যদের বাছাই করা হবে।
তাঁদের দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, কেন্দ্র, উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই টেরিটোরিয়াল আর্মি মূলত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে গঠিত। দেশের যে কোনও জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে মূল সেনাবাহিনীর সহায়ক হিসেবে কাজ করে। জরুরি অবস্থায় দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই টেরিটোরিয়াল আর্মি।
প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ন’টি জঙ্গি ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালায়।
এই হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের মূল ঘাঁটি ভাওয়ালপুর এবং লস্কর-ই-তৈবার মুরিদকে ঘাঁটি পুরোপুরি উড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান জম্মু সহ ভারতের একাধিক শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ভারতের এয়ার ডিফেন্সের কাছে পুরোপুরি হার মানতে হয় শত্রু দেশকে। এই পরিস্থিতিতে টেরিটোরিয়াল আর্মিকে মোতায়েন করে সীমান্তে আরও প্রহরা বাড়িয়ে দিল ভারত।
