আজকাল ওয়েবডেস্ক: চলন্ত গাড়িতে ভয়াবহ আগুন। অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল চিকিৎসক দম্পতির। মহারাষ্ট্রের বিড জেলার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, সময়মতো গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ায় ওই দম্পতি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। ঠিক কী ঘটেছিল?

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার ভোর সোয়া ৬টা নাগাদ বিড তহসিলের মাঞ্জরসুম্বা-পাটোদা রোডের ওপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, ওই চিকিৎসক দম্পতি নিজেদের কোনও পারিবারিক কাজে যাচ্ছিলেন। মহাজনওয়াড়ি মোড়ের কাছে আচমকাই তাঁরা দেখেন, গাড়ির সামনের অংশ থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। বিপদ বুঝে কালক্ষেপ না করে তাঁরা তড়িঘড়ি গাড়ি থামিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। আর তার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে গোটা গাড়িটি।

আগুনের তীব্রতায় গাড়িটি কার্যত কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়েই ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মহাজনওয়াড়ির সরপঞ্চ এবং স্থানীয়দের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, যান্ত্রিক গোলোযোগ বা শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপত্তি। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে স্থানীয় থানার পুলিশ।

অন্যদিকে, পারিবারিক অশান্তির জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল মদ্যপ স্বামীর বিরুদ্ধে। দিল্লির সুলতানপুরীতে ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সুলতানপুরীর পি-ব্লকের একটি বাড়ি থেকে বছর পঁচিশের ওই মহিলার নিথর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।

পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর নাগাদ এলাকায় ঝামেলার খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পৌঁছান পুলিশকর্মীরা। সেখানে বিছানায় ওই মহিলাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই ঘরে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ৩৯ বছর বয়সী স্বামী অনিল। পুলিশের দাবি, সে সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তড়িঘড়ি ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে সঞ্জয় গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃতার দুই নাবালক সন্তান পুলিশের কাছে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, তাদের বাবাই এই কাজ করেছে। ১০ ও ১৩ বছরের দুই কিশোরের অভিযোগ, সামান্য বচসার জেরে তাদের মাকে খুন করেছেন পেশায় গাড়িচালক অনিল। ছেলেদের বয়ানের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।