আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশের আকাসসীমায় নিষিদ্ধ করা হল স্পাইসজেট'কে। ভারতীয় বিমান সংস্থাটি বকেয়া পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই পদক্ষেপকরা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় স্পাইসজেট জানিয়েছে যে, তারা এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছে। বকেয়ার অঙ্ক অবশ্য নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে স্পাসজেটের ইঙ্গিত, বকেয়া পরিশোধ এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাংলাদেশি আকাশসীমা দিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার স্পাইসজেটের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিমান সংস্থাটি নেভিগেশন-সম্পর্কিত চার্জ-সহ অপারেশনাল এবং পদ্ধতিগত বিষয়গুলি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করছে। মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, "এগুলো নিয়মিত শিল্প সমস্যা। আমরা দ্রুত সমাধানের জন্য গঠনমূলকভাবে কাজ করছি। আমাদের ফ্লাইট কার্যক্রম প্রভাবিত হয়নি। আমরা নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা অনুসারে আমাদের নির্ধারিত পরিষেবাগুলো পরিচালনা করে চলেছি।"

তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, বকেয়া পরিশোধ না করার কারণে বাংলাদেশ- ভারতীয় বিমান সংস্থাটির উপর তাদের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যদিও বকেয়া পরিশোধের ধরণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রতিবেশী দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি। 

বাংলাদেশ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) এই ইস্যুতে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। 

বৃহস্পতিবার Flightradar24.com এর তথ্য অনুসারে, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি এবং ইম্ফলগামী স্পাইসজেটের বিমানগুলো বাংলাদেশের আকাশসীমা এড়িয়ে দীর্ঘ বিকল্প রুট ব্যবহার করছে।

উল্লেখ্য, শেয়রা বাজারে বুধবার বিকেলের লেনদেনে, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে স্পাইসজেটের শেয়ারের দাম প্রায় এক শতাংশ কমে ১৬.৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে অতি ব্যয় এবং এককালীন ব্যয়ের কারণে বিমান সংস্থাটি ২৬৯.২৭ কোটি টাকার লোকসানের কথা জানিয়েছিল। সেই ঘোষণার এক সপ্তাহ পরে এই ঘটনা ঘটল।