আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের একটি গ্রাম। সেখানেই সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। আউরাইয়া জেলার ওই গ্রাম এখন রীতিমত রহস্য আর গুজবের কেন্দ্রবিন্দু। এক তরুণীর হঠাৎ নিখোঁজ হওয়াকে কেন্দ্র করে সিঙ্গানপুর গ্রামে চরম শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই রহস্যের জাল ভেঙে সামনে আসল আরেক ঘটনা৷ নিখোঁজ ওই তরুণীকে ঘটনার কয়েকদিন পরই প্রেমিকের সঙ্গে ইন্সটাগ্রামে ভিডিও ছাড়তে দেখা গিয়েছে৷ যা এখন নতুন করে চর্চার বিষয়৷
পরিবার সূত্রে খবর, গত রবিবার রাতে নিজের ঘরেই ঘুমাতে গিয়েছিলেন ২০ বছরের ওই তরুণী। সোমবার সকালে মা তাঁকে ডাকতে গিয়ে দেখেন, মেয়ে ঘরে নেই। অথচ বিছানার ওপর পরিপাটি করে রাখা তাঁর গয়না আর পোশাক। আর ঠিক তার পাশেই পড়ে রয়েছে প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা একটি সাপের খোলস।
এই খবর জানাজানি হতেই গ্রামজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। রটে যায়, ওই তরুণী আসলে এক ‘ইচ্ছাধারী নাগিন’। ঘরের কোণে সাপের গর্ত খুঁজে পাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বাড়ে। আতঙ্কে ও বিস্ময়ে দিশেহারা পরিবারের দাবি, আগে ওই ঘরে সাপ দেখা গেলেও মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে এমন কিছুর যোগ থাকতে পারে, তা তাঁরা ভাবতেই পারছেন না।
এই ঘটনায় তদন্তে নেমে অজিতমল সার্কেলের পুলিশ অফিসার মনোজ গঙ্গোয়ার জানান, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী মামলা রুজু করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে মামলার শুরু থেকেই ‘ইচ্ছাধারী নাগিন’-এর তত্ত্বকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দেয় পুলিশ। তাঁদের প্রাথমিক অনুমান, তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে বা নজর ঘোরাতেই কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বিছানায় সাপের খোলস রেখে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পরিবারের মোবাইল ফোনগুলি পরীক্ষা করছে পুলিশ। কল রেকর্ড এবং ডিজিটাল তথ্যের মাধ্যমে তরুণীর বর্তমান অবস্থানের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে, সামান্য গরুর দুধ নিয়ে বচসা। আর সেই বিবাদ গড়াল রক্তারক্তিতে। প্রতিবেশী কৃষক দুধ দিতে রাজি না হওয়ায় রাগের মাথায় তাঁর আঙুল কামড়ে চিবিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের রাইসেন জেলার বাঁশখেড়া গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত কৃষকের নাম লক্ষ্মণ সিং কোরি। তাঁর প্রতিবেশী মহারাজ সিং কোরির স্ত্রী মায়া বাই এদিন সকালে লক্ষ্মণের কাছে দুধ চাইতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লক্ষ্মণ দুধ দিতে অস্বীকার করতেই দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, ঝগড়া চলাকালীন আচমকাই মেজাজ হারান মায়া। তিনি লক্ষ্মণের হাত টেনে ধরে একটি আঙুল মুখে পুরে দাঁত দিয়ে চিবোতে থাকেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কৃষক চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। সালামতপুর থানার পুলিশ আধিকারিক দিনেশ রঘুবংশী জানান, আহত কৃষকের ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সামান্য দুধ নিয়ে কেন এমন রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করলেন ওই মহিলা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
