আজকাল ওয়েবডেস্ক: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন আনতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল বিজেপি সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এমন অনেক স্কুল রয়েছে, যেগুলি খাতায়-কলমে থাকলেও বাস্তবে সেভাবে কোনও কাজ করছিল না। দীর্ঘদিন ধরে সঠিক পরিকাঠামোর অভাব, পঠনপাঠনে অনিয়ম এবং শুধুমাত্র নামমাত্র অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকা এই স্কুলগুলির বিরুদ্ধেই এবার চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিল উত্তরপ্রদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ (ইউপি বোর্ড)। জানা গিয়েছে, গোটা রাজ্য জুড়ে মোট ৪৬৫টি এমন নিষ্ক্রিয় বা নন-ফাংশনাল স্কুলের স্বীকৃতি পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরেই শিক্ষার মান উন্নত করতে এবং বেনিয়ম রুখতে স্কুলগুলির ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। এই পদক্ষেপ তারই একটি বড় অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। যে স্কুলগুলি দীর্ঘদিন ধরে বোর্ডের নিয়মকানুন মানছিল না বা পঠনপাঠনের ন্যূনতম পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করেই এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিশাল সংখ্যক স্কুলের অনুমোদন বাতিলের ফলে শুধু যে মানহীন স্কুলগুলি বন্ধ হল তা-ই নয়, শিক্ষার নামে গজিয়ে ওঠা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানগুলির কাছেও একটি অত্যন্ত কড়া বার্তা পৌঁছল।
তবে একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক স্কুলের অনুমোদন বাতিল হওয়ার ফলে, ওই স্কুলগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকা ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাতে কোনও টানাপোড়েন তৈরি না হয়, সেদিকেও নিশ্চয়ই নজর রাখবে শিক্ষা পর্ষদ। মূল লক্ষ্য হল রাজ্যের প্রতিটি শিশুকে সঠিক ও গুণমানসম্পন্ন শিক্ষার পরিকাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা। যোগী প্রশাসনের এই সাহসী পদক্ষেপ আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের সার্বিক শিক্ষাচিত্রে এক বড় এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেই আশা করছে ওয়াকিবহাল মহল।















