হাতঘড়িতেই ধরা সুসময়! কেরিয়ার, প্রেম, স্বাস্থ্য কোন দিকে উন্নতির জন্য কেমন হাতঘড়ি পরবেন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
১৯ জুন ২০২৬ ১৭ : ৩৭
শেয়ার করুন
1
10
ঘড়ি শুধু সময় দেখার একটি যন্ত্র নয়, অনেকের কাছে এটি ব্যক্তিত্ব, স্মৃতি এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের প্রতীক। জ্যোতিষমতে প্রতিদিন ৪৩ মিনিট হাতে ঘড়ি পরে থাকলে জীবনে বিশেষ ইতিবাচক প্রভাব পড়ে৷
2
10
কারও কাছে প্রথম চাকরির সময় কেনা ঘড়ি, কারও কাছে উপহার পাওয়া ঘড়ি আবার কারও কাছে সাফল্যের পর কেনা দামি ঘড়ি, প্রতিটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আলাদা গল্প।
3
10
জ্যোতিষমতে, হাতের ঘড়ির ধাতু, রং, ডায়ালের আকার ও ডিজাইন মানুষের মানসিকতা ও জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
4
10
কব্জি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, যেখানে নাড়ির স্পন্দন অনুভূত হয়। তাই ঘড়ি সারাদিন শরীরের সংস্পর্শে থাকার কারণে এর ধাতু ও রংয়ের প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে জীবনে৷
5
10
ঘড়ির স্ট্র্যাপ ও ডায়াল—এই দুই অংশকে আলাদা ভাবে দেখা হয়। স্ট্র্যাপের ধাতু ও রং এবং ডায়ালের আকৃতি ও সংখ্যা নাকি ব্যক্তির শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
6
10
যাঁরা পেশাগত জীবনে উন্নতি, স্থিরতা ও সাফল্য চান, তাঁদের জন্য জ্যোতিষ মতে স্টেইনলেস স্টিলের ঘড়ি, সাদা রঙের স্কোয়ার ডায়াল এবং রোমান সংখ্যার ডিজাইন শুভ বলে ধরা হয়। এই ধরনের ঘড়ি শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
7
10
সম্পর্কে শান্তি ও ভারসাম্য আনতে চাইলে গোলাপি সোনালি (রোজ গোল্ড) রঙের ঘড়ি, ডিম্বাকার আইভরি ডায়াল এবং সাধারণ ডিজাইন বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জ্যোতিষ মতে, এই ধরনের নরম রং ভালোবাসা ও আবেগের সঙ্গে যুক্ত।
8
10
আর্থিক উন্নতির ক্ষেত্রে দুই রঙের (গোল্ড ও সিলভার) ঘড়ি, গোলাকার শ্যাম্পেন রঙের ডায়াল এবং বিশেষ সংখ্যার ডিজাইন বেছে নেওয়া যেতে পারে বলে মত দেওয়া হয়েছে। অনেকের বিশ্বাস, এই ধরনের ঘড়ি সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
9
10
স্বাস্থ্য ও মানসিক শান্তির জন্য হালকা টাইটানিয়াম ঘড়ি, সাদা গোলাকার ডায়াল এবং মিনিমাল ডিজাইন পছন্দ করার কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের সরল ডিজাইন মানসিক প্রশান্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
10
10
তবে জ্যোতিষ মতে সবার জন্য একই ধরনের ঘড়ি উপযুক্ত নয়। জন্মছক, নাম ও গ্রহের অবস্থান অনুযায়ী ঘড়ির ধাতু বা রং ব্যক্তিগতভাবে বেছে নেওয়ার কথাও বলা হয়।