আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উপোস করেছিলেন ৩৩ বছরের যুবক। সেই উপোস ভাঙার সময়েই খালি পেটে সফট ড্রিঙ্কস খেয়েছিলেন। এর জেরেই ভয়ঙ্কর পরিণতি! সফট ড্রিঙ্কস খাওয়ার পরেই যুবক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। যে ঘটনাটি ঘিরে রীতিমতো উত্তাল গোটা শহর। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা, ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদাবাদে। পুলিশ জানিয়েছে, ৩৩ বছর বয়সি ওই মৃত যুবকের নাম, অঙ্কু্‌শ। তিনি হনুমান নগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই উপোস করেছিলেন অঙ্কুশ। রাতেই উপোস ভাঙার সময় খালি পেটে সফট ড্রিঙ্কস খেয়েছিলেন। যার জেরেই বিপত্তি ঘটে বলে পরিবারের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে। 

 

অঙ্কুশের পরিবার জানিয়েছে, সেদিন রাতে খালি পেটে সফট ড্রিঙ্কস খেয়েছিলেন তিনি। এরপরই ঘনঘন বমি ও পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। গভীর রাতেই তাঁকে বেসরকারি এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে বাদশাহ খান সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। 

 

পরিবারের তরফে আরও জানা গিয়েছে, সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা অঙ্কুশকে দিল্লির হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন। দিল্লির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে তাঁর। হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। 

 

পরিবারের তরফে পুলিশকে জানানো হয়েছে, সফট ড্রিঙ্কস খাওয়ার পরেই অঙ্কুশের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সম্ভবত সেই কারণেই তাঁর অকালমৃত্যু। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, যুবকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কোনও অসুস্থতা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আদৌ সফট ড্রিঙ্কস খেয়ে বিষক্রিয়া নাকি কোনও অসুস্থতার জেরে মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

 

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই যুবকের মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ জানা যাবে। যদি সফট ড্রিঙ্কস খেয়েই মৃত্যু হয়, সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।