পশ্চিমবঙ্গের স্নাতক এবং স্নাতক নন এমন বহু শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী অপেক্ষা করছেন ‘যুবশক্তি ভরসা প্রকল্প’-এর জন্য। কবে থেকে এই প্রকল্প শুরু হবে, কবে থেকে আবেদন করা যাবে তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন তাঁরা।
2
11
সেই চিন্তার নিরসন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ২৩ নভেম্বর রাজ্যের মন্ত্রিসভার বৈঠক রয়েছে। ওই দিনের বৈঠকের পরেই যুবশক্তি প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা এবং আবেদন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
3
11
তিনি জানিয়েছেন, যুবশক্তি প্রকল্পের খসড়া এবং প্রকল্পে রূপরেখা নিয়ে জোরকদমে কাজ চলছে। ২৩ নভেম্বরের বৈঠকের পরেই এই স্কিমের অর্থ প্রদান, আবেদনের নিয়ম ও বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
4
11
রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, সামাজিক সুরক্ষার আওতায় যেমন বয়স্ক ও মহিলাদের ভাতা নিশ্চিত করা হয়েছে, তেমনই কর্মহীন শিক্ষিত তরুণদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন?
5
11
বয়স ও ঠিকানার প্রমাণের জন্য প্রয়োজন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং ডিজিটাল রেশন কার্ড।
6
11
শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি হিসেবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড (বয়সের প্রমাণের জন্য), শেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কশিট, স্নাতক হওয়ার সার্টিফিকেট।
7
11
আবেদনকারীর নিজের নামে সক্রিয় ব্যাঙ্ক পাসবইয় থাকতে হবে। সেই পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স লাগবে যেখানে অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি কোড দেখা যাবে।
8
11
এছাড়াও পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক রঙিন ছবি, আধার ও ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংযুক্ত সচল মোবাইল নম্বর এবং বিশেষ সংরক্ষণের আওতায় থাকলে সংশ্লিষ্ট জাতি শংসাপত্র।
9
11
এই প্রকল্পে প্রতি মাসে স্নাতক বেকারদের ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। স্নাতক নন এমন বেকার যুবক-যুবতীদের দেওয়া হবে প্রতি মাসে ২০০০ টাকা।
10
11
এই প্রকল্পে আবেদনের অন্যতম শর্ত হলে আবেদনকারীর পরিবারে মাসিক আয় এক লক্ষ টাকার বেশি হওয়া যাবে না। স্নাতকদের কলেজের প্রভিশনারি ডিগ্রি সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
11
11
আবেদনকারী যে আয়ের শর্ত পূরণ করছেন তার প্রমাণস্বরূপ জমা দিতে হবে ইনকাম সার্টিফিকেট। এর পাশাপাশি জমা দিতে হবে বসবাসের প্রমাণপত্র। অর্থাৎ, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট। এই দু’টি নথি লাগবেই আবেদনের জন্য।