আধার কার্ডের মতোই অত্যন্ত জরুরি একটি নথি প্যান কার্ড। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, আয়কর রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়া থেকে শুরু করে বড় অঙ্কের কেনাকাটা, সোনা কেনা কিংবা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ- নানা ক্ষেত্রে প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক।
2
8
মূলত আয়কর ফাঁকি রোধ এবং দেশের নাগরিকদের বড় আর্থিক লেনদেনের উপর নজর রাখতেই এই কার্ড ব্যবহার করে আয়কর দপ্তর।
3
8
প্যান কার্ডে ১০টি অক্ষরের একটি বিশেষ 'আলফানিউমেরিক' নম্বর থাকে। দেখতে সাধারণ মনে হলেও এই ১০টি সংখ্যার প্রতিটির পেছনেই নির্দিষ্ট অর্থ ও তথ্য রয়েছে।
4
8
প্রথম ৩টি অক্ষর, A থেকে Z-এর মধ্যে যে কোনও তিনটি ইংরেজি অক্ষর থাকে। আয়কর দপ্তরের সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলি তৈরি হয়।
5
8
চতুর্থ অক্ষরটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্যান কার্ড কার নামে- কোনও ব্যক্তি, সংস্থা নাকি সরকারি প্রতিষ্ঠান, তা স্পষ্ট হয় এটি দেখে। P - ব্যক্তি (Individual) C - কোম্পানি (Company) H - হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUF) F - ফার্ম (Firm) T - ট্রাস্ট (Trust) G - সরকারি সংস্থা (Government Agency)
6
8
পঞ্চম অক্ষর মূলত ব্যক্তিগত প্যান কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন- নাম ‘অমিত কুমার’ হলে পঞ্চম অক্ষরটি হবে ’K’। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নামের প্রথম অক্ষরটি ব্যবহার করা হয়।
7
8
পরের ৪টি সংখ্যা, ০০০১ থেকে ৯৯৯৯-এর মধ্যে যে কোনও চারটি সংখ্যা থাকে। প্রতিটি নম্বর যাতে আলাদা হয়, তা নিশ্চিত করতেই নির্দিষ্ট নিয়মে এই সংখ্যা বরাদ্দ করা হয়।
8
8
শেষের অক্ষরটি গাণিতিক পদ্ধতিতে তৈরি একটি বিশেষ অক্ষর। প্যান নম্বরটি আসল নাকি ভুয়ো, তা যাচাই করতে সাহায্য করে এই অক্ষরটি।